ঢাকা ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রমজানে আত্মিক পরিশুদ্ধি ও ক্ষমা লাভে মুমিনের ১৬ করণীয়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান। এই বরকতময় মাসটি মুমিন জীবনের জন্য এক বিশেষ সুযোগ নিয়ে আসে আত্মিক পরিশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের। রমজানের প্রতিটি মুহূর্তকে ফলপ্রসূ করতে এবং সর্বোচ্চ সওয়াব অর্জনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল রয়েছে, যা পালনের মাধ্যমে একজন রোজাদার তার আধ্যাত্মিক যাত্রাকে আরও অর্থবহ করে তুলতে পারেন। এমনই ১৬টি বিশেষ আমল নিচে তুলে ধরা হলো:

১. রোজা রাখা: ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হলো রোজা। রমজান মাসে রোজা রাখা প্রতিটি সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের জন্য ফরজ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে এ মাসে উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে রোজা পালন করে।’

২. সাহরি খাওয়া: সাহরি গ্রহণ করা বরকতময় একটি আমল। হাদিসে সাহরিকে বরকতময় খাবার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এক ঢোক পানি পান করে হলেও সাহরি গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। কারণ সাহরি গ্রহণকারীদের জন্য আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর ফেরেশতারা দোয়া করেন।

৩. ইফতার করা: সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা একটি ফজিলতপূর্ণ আমল। ইফতারের জন্য অযথা বিলম্ব না করে দ্রুত ইফতার করা উচিত। হাদিসে খেজুর বা পানি দিয়ে ইফতার করার কথা বলা হয়েছে।

৪. তারাবি ও তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করা: রমজানে ‘কিয়ামুল লাইল’ অর্থাৎ রাতের নামাজ আদায়ের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এর মধ্যে তারাবির নামাজ অন্যতম। ঈমান ও সওয়াবের আশায় তারাবি আদায়কারীর অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। সাহাবায়ে কেরাম তারাবি শেষ না করে বাড়ি ফিরতেন না, কারণ যে ব্যক্তি ইমামের সঙ্গে তারাবি শেষ করা পর্যন্ত থাকে, সে সারা রাত ইবাদতের নেকি লাভ করে। শেষ রাতের তাহাজ্জুদ নামাজও কিয়ামুল লাইলের অন্তর্ভুক্ত।

৫. দান-সদকার পরিমাণ বাড়ানো: রমজান মাসে দান-সদকার সওয়াব বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। মহানবী (সা.) ছিলেন মানবজাতির মধ্যে সবচেয়ে বেশি দানশীল, আর রমজানে তাঁর বদান্যতা আরও বেড়ে যেত। তাই এই মাসে অধিক পরিমাণে দান-সদকা করা উচিত।

৬. ইতিকাফ: রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ। মহানবী (সা.) রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন।

৭. রোজাদারদের ইফতার করানো: একজন রোজাদারকে ইফতার করালে সেই রোজাদারের সমান সওয়াব লাভ করা যায়। এতে রোজাদারের সওয়াব বিন্দুমাত্র কমে না।

৮. তাওবা ও ইস্তিগফার করা: রমজান মাস পাপ মোচনের এক সুবর্ণ সুযোগ। এই মাসে শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয় এবং মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাই বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করা উচিত। হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি রমজান মাস পেয়েও তার পাপ ক্ষমা করাতে পারেনি, তার জন্য আফসোস।

৯. বেশি বেশি নেক আমল করা: রমজানে, বিশেষ করে শেষ দশকে, অধিক হারে নেক আমল করা অত্যন্ত জরুরি। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রমজানের শেষ দশক এলে রাসুলুল্লাহ (সা.) রাত জাগরণ করতেন এবং পরিবারবর্গকে জাগিয়ে দিতেন।

১০. বেশি বেশি জিকির করা: আল্লাহ তায়ালাকে বেশি পরিমাণে স্মরণ করা বা জিকির করা মুমিনকে তাঁর সান্নিধ্য লাভে সহায়তা করে। পবিত্র কোরআনে মুমিনদেরকে সকাল-সন্ধ্যা আল্লাহকে বেশি পরিমাণে স্মরণ করতে বলা হয়েছে।

১১. একে অন্যকে কোরআন শোনানো: রমজান মাসে একে অন্যকে কোরআন শোনানো বা দাওর করা একটি উত্তম আমল। হাদিসে এসেছে, জিবরাইল (আ.) রমজানে প্রতি রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন এবং রাসুল (সা.) তাঁকে কোরআন শোনাতেন।

১২. কল্যাণকর কাজ বেশি বেশি করা: রমজানে একটি ভালো কাজের সওয়াব অন্য মাসের চেয়ে অনেক বেশি। তাই এই মাসে যথাসম্ভব বেশি বেশি কল্যাণকর কাজ করা উচিত। হাদিসে বলা হয়েছে, রমজানের প্রতি রাতে একজন ঘোষণাকারী আহ্বান করে, ‘হে কল্যাণের অনুসন্ধানকারী, তুমি আরও অগ্রসর হও! হে অসৎ কাজের পথিক, তোমরা অন্যায় পথে চলা বন্ধ করো।’

১৩. লাইলাতুল কদর তালাশ করা: রমজান মাসে এমন একটি রাত রয়েছে, যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম – এটি হলো লাইলাতুল কদর। এই রাতে ইবাদতকারীর অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে এই রাত তালাশ করার বিশেষ নির্দেশ রয়েছে।

১৪. তাকওয়া অর্জন করা: তাকওয়া হলো এমন একটি গুণ, যা মানুষকে আল্লাহর ভয়ে সব পাপ কাজ থেকে বিরত রাখে এবং তাঁর আদেশ মানতে বাধ্য করে। রমজান মাস তাকওয়া অর্জনের এক বিশেষ মৌসুম। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে করে তোমরা এর মাধ্যমে তাকওয়া অবলম্বন করতে পারো।’

১৫. বিবাদ ও বেহায়াপনা থেকে বিরত থাকা: মাহে রমজানে মুমিনকে সব ধরনের ঝগড়া-বিবাদ, অশ্লীল কথা ও বেহায়াপনা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। বিশেষ করে অশ্লীল গান-বাজনা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে প্রদর্শিত মন্দ বিষয় থেকে দূরে থাকতে হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ রোজা পালন করবে, তখন সে কোনো মন্দ কথা বলবে না এবং বাজে বকবে না। যদি কেউ তাকে গালি দেয় বা লড়াই করতে আসে, তখন সে যেন বলে, আমি রোজাদার।’

১৬. দোয়া করা: রোজাদারের দোয়া আল্লাহ তায়ালা কবুল করেন। তাই প্রত্যেক রোজাদারের উচিত দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনা করে বেশি বেশি দোয়া করা। হাদিসে তিন শ্রেণির মানুষের দোয়ার কথা বলা হয়েছে, যা ফিরিয়ে দেওয়া হয় না, যার মধ্যে রোজাদার অন্যতম।

এই বরকতময় মাসে উল্লেখিত আমলগুলো নিষ্ঠার সাথে পালনের মাধ্যমে আমরা যেন আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ক্ষমা লাভ করতে পারি, সেই তৌফিক কামনা করি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাঠের রাজা হলেও যে অপূর্ণতা আজও পোড়ায় মেসিকে

রমজানে আত্মিক পরিশুদ্ধি ও ক্ষমা লাভে মুমিনের ১৬ করণীয়

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান। এই বরকতময় মাসটি মুমিন জীবনের জন্য এক বিশেষ সুযোগ নিয়ে আসে আত্মিক পরিশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের। রমজানের প্রতিটি মুহূর্তকে ফলপ্রসূ করতে এবং সর্বোচ্চ সওয়াব অর্জনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল রয়েছে, যা পালনের মাধ্যমে একজন রোজাদার তার আধ্যাত্মিক যাত্রাকে আরও অর্থবহ করে তুলতে পারেন। এমনই ১৬টি বিশেষ আমল নিচে তুলে ধরা হলো:

১. রোজা রাখা: ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হলো রোজা। রমজান মাসে রোজা রাখা প্রতিটি সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের জন্য ফরজ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে এ মাসে উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে রোজা পালন করে।’

২. সাহরি খাওয়া: সাহরি গ্রহণ করা বরকতময় একটি আমল। হাদিসে সাহরিকে বরকতময় খাবার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এক ঢোক পানি পান করে হলেও সাহরি গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। কারণ সাহরি গ্রহণকারীদের জন্য আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর ফেরেশতারা দোয়া করেন।

৩. ইফতার করা: সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা একটি ফজিলতপূর্ণ আমল। ইফতারের জন্য অযথা বিলম্ব না করে দ্রুত ইফতার করা উচিত। হাদিসে খেজুর বা পানি দিয়ে ইফতার করার কথা বলা হয়েছে।

৪. তারাবি ও তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করা: রমজানে ‘কিয়ামুল লাইল’ অর্থাৎ রাতের নামাজ আদায়ের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এর মধ্যে তারাবির নামাজ অন্যতম। ঈমান ও সওয়াবের আশায় তারাবি আদায়কারীর অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। সাহাবায়ে কেরাম তারাবি শেষ না করে বাড়ি ফিরতেন না, কারণ যে ব্যক্তি ইমামের সঙ্গে তারাবি শেষ করা পর্যন্ত থাকে, সে সারা রাত ইবাদতের নেকি লাভ করে। শেষ রাতের তাহাজ্জুদ নামাজও কিয়ামুল লাইলের অন্তর্ভুক্ত।

৫. দান-সদকার পরিমাণ বাড়ানো: রমজান মাসে দান-সদকার সওয়াব বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। মহানবী (সা.) ছিলেন মানবজাতির মধ্যে সবচেয়ে বেশি দানশীল, আর রমজানে তাঁর বদান্যতা আরও বেড়ে যেত। তাই এই মাসে অধিক পরিমাণে দান-সদকা করা উচিত।

৬. ইতিকাফ: রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ। মহানবী (সা.) রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন।

৭. রোজাদারদের ইফতার করানো: একজন রোজাদারকে ইফতার করালে সেই রোজাদারের সমান সওয়াব লাভ করা যায়। এতে রোজাদারের সওয়াব বিন্দুমাত্র কমে না।

৮. তাওবা ও ইস্তিগফার করা: রমজান মাস পাপ মোচনের এক সুবর্ণ সুযোগ। এই মাসে শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয় এবং মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাই বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করা উচিত। হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি রমজান মাস পেয়েও তার পাপ ক্ষমা করাতে পারেনি, তার জন্য আফসোস।

৯. বেশি বেশি নেক আমল করা: রমজানে, বিশেষ করে শেষ দশকে, অধিক হারে নেক আমল করা অত্যন্ত জরুরি। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রমজানের শেষ দশক এলে রাসুলুল্লাহ (সা.) রাত জাগরণ করতেন এবং পরিবারবর্গকে জাগিয়ে দিতেন।

১০. বেশি বেশি জিকির করা: আল্লাহ তায়ালাকে বেশি পরিমাণে স্মরণ করা বা জিকির করা মুমিনকে তাঁর সান্নিধ্য লাভে সহায়তা করে। পবিত্র কোরআনে মুমিনদেরকে সকাল-সন্ধ্যা আল্লাহকে বেশি পরিমাণে স্মরণ করতে বলা হয়েছে।

১১. একে অন্যকে কোরআন শোনানো: রমজান মাসে একে অন্যকে কোরআন শোনানো বা দাওর করা একটি উত্তম আমল। হাদিসে এসেছে, জিবরাইল (আ.) রমজানে প্রতি রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন এবং রাসুল (সা.) তাঁকে কোরআন শোনাতেন।

১২. কল্যাণকর কাজ বেশি বেশি করা: রমজানে একটি ভালো কাজের সওয়াব অন্য মাসের চেয়ে অনেক বেশি। তাই এই মাসে যথাসম্ভব বেশি বেশি কল্যাণকর কাজ করা উচিত। হাদিসে বলা হয়েছে, রমজানের প্রতি রাতে একজন ঘোষণাকারী আহ্বান করে, ‘হে কল্যাণের অনুসন্ধানকারী, তুমি আরও অগ্রসর হও! হে অসৎ কাজের পথিক, তোমরা অন্যায় পথে চলা বন্ধ করো।’

১৩. লাইলাতুল কদর তালাশ করা: রমজান মাসে এমন একটি রাত রয়েছে, যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম – এটি হলো লাইলাতুল কদর। এই রাতে ইবাদতকারীর অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে এই রাত তালাশ করার বিশেষ নির্দেশ রয়েছে।

১৪. তাকওয়া অর্জন করা: তাকওয়া হলো এমন একটি গুণ, যা মানুষকে আল্লাহর ভয়ে সব পাপ কাজ থেকে বিরত রাখে এবং তাঁর আদেশ মানতে বাধ্য করে। রমজান মাস তাকওয়া অর্জনের এক বিশেষ মৌসুম। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে করে তোমরা এর মাধ্যমে তাকওয়া অবলম্বন করতে পারো।’

১৫. বিবাদ ও বেহায়াপনা থেকে বিরত থাকা: মাহে রমজানে মুমিনকে সব ধরনের ঝগড়া-বিবাদ, অশ্লীল কথা ও বেহায়াপনা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। বিশেষ করে অশ্লীল গান-বাজনা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে প্রদর্শিত মন্দ বিষয় থেকে দূরে থাকতে হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ রোজা পালন করবে, তখন সে কোনো মন্দ কথা বলবে না এবং বাজে বকবে না। যদি কেউ তাকে গালি দেয় বা লড়াই করতে আসে, তখন সে যেন বলে, আমি রোজাদার।’

১৬. দোয়া করা: রোজাদারের দোয়া আল্লাহ তায়ালা কবুল করেন। তাই প্রত্যেক রোজাদারের উচিত দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনা করে বেশি বেশি দোয়া করা। হাদিসে তিন শ্রেণির মানুষের দোয়ার কথা বলা হয়েছে, যা ফিরিয়ে দেওয়া হয় না, যার মধ্যে রোজাদার অন্যতম।

এই বরকতময় মাসে উল্লেখিত আমলগুলো নিষ্ঠার সাথে পালনের মাধ্যমে আমরা যেন আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ক্ষমা লাভ করতে পারি, সেই তৌফিক কামনা করি।