ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

কাদিয়ানী, হিযবুত তাওহীদ ও ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের ১১ দফা দাবি

দেশের ইসলামি মূল্যবোধ সংরক্ষণ, মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড বন্ধে সরকারের কাছে ১১ দফা দাবি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশ। সংগঠনটির মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী এক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হওয়ায় এখানে মানুষের ঈমান, আকীদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সরকারকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং মুসলিম জনগোষ্ঠীর ঈমান-আকিদা সংরক্ষণের স্বার্থে সরকারের কাছে একগুচ্ছ দাবি উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে আহমদিয়া মুসলিম জামাতকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা, কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের প্রচার-প্রকাশনা বন্ধ, হিযবুত তাওহীদসহ ‘ভ্রান্ত’ সংগঠন এবং ইসকনসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।

এছাড়াও, ইসলাম ধর্ম, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এবং কুরআন-সুন্নাহ অবমাননার অভিযোগে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান প্রণয়ন, ইসলামবিরোধী প্রচারণা বন্ধ, ইসলামি মূল্যবোধবিরোধী সংস্কৃতির বিস্তার রোধ, ইসলামি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, কুরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন বাতিল, ভাস্কর্য নির্মাণ বন্ধ, মসজিদ-মাদরাসার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ওয়াজ মাহফিলে প্রশাসনিক বাধা অপসারণের দাবি জানানো হয়েছে। নাটক, সিনেমা ও গণমাধ্যমে দাড়ি-টুপি, হিজাব কিংবা ধর্মীয় পোশাককে নেতিবাচক বা ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপনের বিরোধিতা করা হয়। একই সঙ্গে, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধর্মান্তকরণ কার্যক্রমের অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট এনজিও ও খ্রিস্টান মিশনারিদের কর্মকাণ্ড তদন্ত ও বন্ধের আহ্বান জানানো হয়। মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এসব দাবি পূরণে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে দেশের উলামায়ে কেরাম ও ধর্মপ্রাণ জনগণ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর সীমান্তে বিজিবির সাহসী পদক্ষেপ: বিএসএফের হুমকির কড়া জবাব, প্রশংসা কুড়াচ্ছে জওয়ানরা

কাদিয়ানী, হিযবুত তাওহীদ ও ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের ১১ দফা দাবি

আপডেট সময় : ০৭:৩৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

দেশের ইসলামি মূল্যবোধ সংরক্ষণ, মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড বন্ধে সরকারের কাছে ১১ দফা দাবি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশ। সংগঠনটির মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী এক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হওয়ায় এখানে মানুষের ঈমান, আকীদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সরকারকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং মুসলিম জনগোষ্ঠীর ঈমান-আকিদা সংরক্ষণের স্বার্থে সরকারের কাছে একগুচ্ছ দাবি উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে আহমদিয়া মুসলিম জামাতকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা, কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের প্রচার-প্রকাশনা বন্ধ, হিযবুত তাওহীদসহ ‘ভ্রান্ত’ সংগঠন এবং ইসকনসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।

এছাড়াও, ইসলাম ধর্ম, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এবং কুরআন-সুন্নাহ অবমাননার অভিযোগে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান প্রণয়ন, ইসলামবিরোধী প্রচারণা বন্ধ, ইসলামি মূল্যবোধবিরোধী সংস্কৃতির বিস্তার রোধ, ইসলামি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, কুরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন বাতিল, ভাস্কর্য নির্মাণ বন্ধ, মসজিদ-মাদরাসার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ওয়াজ মাহফিলে প্রশাসনিক বাধা অপসারণের দাবি জানানো হয়েছে। নাটক, সিনেমা ও গণমাধ্যমে দাড়ি-টুপি, হিজাব কিংবা ধর্মীয় পোশাককে নেতিবাচক বা ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপনের বিরোধিতা করা হয়। একই সঙ্গে, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধর্মান্তকরণ কার্যক্রমের অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট এনজিও ও খ্রিস্টান মিশনারিদের কর্মকাণ্ড তদন্ত ও বন্ধের আহ্বান জানানো হয়। মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এসব দাবি পূরণে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে দেশের উলামায়ে কেরাম ও ধর্মপ্রাণ জনগণ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।