আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে এশিয়ার বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা করা তিনটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী ট্যাংকার নিরাপদে এই নৌপথ অতিক্রম করেছে। জাহাজ-ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, ট্যাংকারগুলোর ট্রান্সপন্ডার (অবস্থান শনাক্তকারী ব্যবস্থা) বন্ধ ছিল।
রয়টার্সের তথ্যমতে, কাতারএনার্জি নিয়ন্ত্রিত এলএনজি ট্যাংকার ‘লেব্রেথাহ’ এবং ‘রাশিদা’ সর্বশেষ যথাক্রমে ১ জুন ও ৩০ এপ্রিল হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে অবস্থান করছিল। উভয় জাহাজই কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে এলএনজি লোড করেছিল। পরবর্তীতে ১০ জুন এই জাহাজ দুটি আবার ট্র্যাকিং তথ্যের আওতায় আসে। ২২ মে এলএনজি বোঝাই করা ‘লেব্রেথাহ’ বর্তমানে পাকিস্তানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অন্যদিকে, ‘রাশিদা’ ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে এলএনজি বহন করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কাছাকাছি পৌঁছেছে।
তৃতীয় এলএনজি ট্যাংকার ‘ম্যারিগোল্ড’, যা আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত, সেটিও ১০ জুন ট্র্যাকিং তথ্যের আওতায় ফিরে আসে। ধারণা করা হচ্ছে, জাহাজটি ভারতের দিকে যাত্রা করছে। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর থেকে এই তিনটি জাহাজসহ মোট ১২টি এলএনজি কার্গো হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে বেরিয়ে গেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে ট্যাংকার চলাচল অব্যাহত থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।
রিপোর্টারের নাম 






















