আগামী ১ নভেম্বর থেকেই মোবাইল অপারেটররা এই নিয়ম কার্যকর করতে যাচ্ছে। ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে ১০টির বেশি সিম আর চালু থাকবে না।
আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান সংস্থাটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী।
তিনি বলেছেন, গ্রাহকদের সুবিধা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে অনিবন্ধিত বা অতিরিক্ত সিমের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একজন গ্রাহক এখন থেকে একটি এনআইডির বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০টি মোবাইল সিম ব্যবহার করতে পারবেন। যাদের ১০টির বেশি সিম আছে, তাদের অতিরিক্ত সিমগুলো বাতিল বা ডি-রেজিস্ট্রার করার জন্য বিটিআরসি আগেই সময় বেঁধে দিয়েছিল।
গত ৩০ জুলাই বিটিআরসি জানিয়েছিল, কোনো ব্যক্তির নামে ১০টির বেশি সিম থাকলে, সেই অতিরিক্ত সিমগুলো আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে ডি-রেজিস্ট্রার বা বাতিল করতে হবে।
বিটিআরসি জানিয়েছে, গ্রাহকরা *১৬০০১# ডায়াল করে তাদের নামে কয়টি সিম নিবন্ধিত আছে, সেই তথ্য সহজেই জানতে পারবেন।
এর আগে একজন গ্রাহক একটি এনআইডির বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধন করতে পারতেন। কিন্তু নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সেই সংখ্যা কমিয়ে সর্বোচ্চ ১০টি করা হয়েছে।
বিটিআরসি আরও জানায়, গত মে মাসে আন্তর্জাতিক রীতিনীতি এবং দেশের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা ১৫টি থেকে ১০টিতে নামিয়ে আনার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিটিআরসির এই প্রস্তাবটি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠানো হলে তারাও এটি অনুমোদন করে।
সেই সময়েই সংস্থাটি জানিয়েছিল, সিমের সর্বোচ্চ সীমা ১০টি নির্ধারণ করা হলে প্রায় ২৬ লাখ গ্রাহকের মোট ৬৭ লাখ সিম বন্ধ করতে হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























