ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

রাজশাহী অঞ্চলে আম বেচাকেনায় ‘ঢলন’ প্রথা বাতিল, এবার কেজি দরে কেনাবেচা

রাজশাহী অঞ্চলের আম ব্যবসায় দীর্ঘদিনের প্রচলিত ‘ঢলন’ প্রথা অবশেষে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে কেজি দরে আম কেনাবেচা হবে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। তিনি জানান, আমচাষিরা যেন তাদের উৎপাদিত আমের ন্যায্য মূল্য পান, তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।

সভায় জানানো হয়, এতদিন ‘ঢলন’ প্রথায় ৪০ কেজির বস্তার দাম দেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে আড়তদাররা বস্তায় ৪৪ থেকে ৫৪ কেজি পর্যন্ত আম নিতেন। এর ফলে আমচাষিরা আর্থিকভাবে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কেজি হিসেবে আম কেনাবেচা হবে এবং আড়তদারদের জন্য প্রতি কেজিতে তিন টাকা কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সভায় রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, আমচাষি, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়িত হলে আমচাষিদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর সীমান্তে বিজিবির সাহসী পদক্ষেপ: বিএসএফের হুমকির কড়া জবাব, প্রশংসা কুড়াচ্ছে জওয়ানরা

রাজশাহী অঞ্চলে আম বেচাকেনায় ‘ঢলন’ প্রথা বাতিল, এবার কেজি দরে কেনাবেচা

আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

রাজশাহী অঞ্চলের আম ব্যবসায় দীর্ঘদিনের প্রচলিত ‘ঢলন’ প্রথা অবশেষে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে কেজি দরে আম কেনাবেচা হবে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। তিনি জানান, আমচাষিরা যেন তাদের উৎপাদিত আমের ন্যায্য মূল্য পান, তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।

সভায় জানানো হয়, এতদিন ‘ঢলন’ প্রথায় ৪০ কেজির বস্তার দাম দেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে আড়তদাররা বস্তায় ৪৪ থেকে ৫৪ কেজি পর্যন্ত আম নিতেন। এর ফলে আমচাষিরা আর্থিকভাবে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কেজি হিসেবে আম কেনাবেচা হবে এবং আড়তদারদের জন্য প্রতি কেজিতে তিন টাকা কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সভায় রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, আমচাষি, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়িত হলে আমচাষিদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।