কিউবার বর্তমান প্রশাসনের ওপর চাপ বৃদ্ধির পাশাপাশি বিকল্প নেতৃত্ব খোঁজার তৎপরতা শুরু করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। ওয়াশিংটন ও হাভানার মধ্যে বিদ্যমান অচলাবস্থা নিরসনে ব্যর্থ হলে কিউবার শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার সম্ভাব্য পথ নিয়ে কাজ করছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, এটি সরাসরি কোনো অভ্যুত্থান নয়, বরং বর্তমান কাঠামোর ভেতর থেকেই একজন বাস্তববাদী ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে সহযোগিতায় আগ্রহী নেতাকে সামনে আনার কৌশল। ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক মডেল অনুসরণ করে কিউবায় এমন কাউকে খোঁজা হচ্ছে যিনি মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারবেন। তবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মনে করছে, কিউবার রাজনৈতিক পরিস্থিতি ইরানের মতো জটিল হওয়ায় সেখানে এমন নেতৃত্ব খুঁজে পাওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং।
ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি হাভানার কাছে বেশ কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কিউবার বাজার মার্কিন ব্যবসায়ীদের জন্য উন্মুক্ত করা, রাশিয়ার পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি তেল আমদানি এবং দেশটিতে চীন ও রাশিয়ার গোয়েন্দা তৎপরতা সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
বিনিময়ে কিউবার ওপর থেকে কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল ও মানবিক সহায়তা বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও কিউবা কিছু ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক সংস্কার শুরু করেছে, তবে তা ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। ফলে কিউবার ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























