মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্প দ্রুত শুরুর ঘোষণা পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কারিগরি কমিটি পুরোদমে কাজ শুরু করেছে এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। খুব শীঘ্রই এই মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। শনিবার কুড়িগ্রামের চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী ও রাজীবপুরের নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ, যা রাতারাতি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বর্তমান নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র পাঁচ মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে এই প্রকল্পকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই এর দৃশ্যমান কাজ শুরু হবে।

তিনি আরও জানান, কুড়িগ্রামে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও নদীভাঙন রোধে ইতোমধ্যে দুটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। জেলার প্রায় ১০০টি পয়েন্টে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে কাজ চলছে। নদীভাঙন রোধে কোনো ধরনের দলীয় বিবেচনা করা হবে না বলে তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন। পরিদর্শনকালে স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, জেলা প্রশাসক এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিএনপি ও জামায়াতের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রদ্রির বার্সেলোনা যাত্রার গুঞ্জন: বিকল্প হিসেবে এনজো ফার্নান্দেজকে চায় ম্যানচেস্টার সিটি

তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্প দ্রুত শুরুর ঘোষণা পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ১০:৪৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কারিগরি কমিটি পুরোদমে কাজ শুরু করেছে এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। খুব শীঘ্রই এই মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। শনিবার কুড়িগ্রামের চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী ও রাজীবপুরের নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ, যা রাতারাতি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বর্তমান নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র পাঁচ মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে এই প্রকল্পকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই এর দৃশ্যমান কাজ শুরু হবে।

তিনি আরও জানান, কুড়িগ্রামে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও নদীভাঙন রোধে ইতোমধ্যে দুটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। জেলার প্রায় ১০০টি পয়েন্টে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে কাজ চলছে। নদীভাঙন রোধে কোনো ধরনের দলীয় বিবেচনা করা হবে না বলে তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন। পরিদর্শনকালে স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, জেলা প্রশাসক এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিএনপি ও জামায়াতের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।