জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ওকিনাওয়া ও কাগোশিমা প্রিফেকচারে শক্তিশালী টাইফুন ডলফিনের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে অন্তত ছয়জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং ৫০ হাজারের বেশি ভবন বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। টাইফুনের প্রভাবে ওকিনাওয়া অভিমুখী কয়েকশ অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করেছে দেশটির প্রধান এয়ারলাইনগুলো।
জাপানের আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, টাইফুন ডলফিনের কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬২ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়াসহ ২১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল। প্রবল বাতাসের কারণে বহু গাছপালা উপড়ে গেছে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে কাগোশিমায় ৩৯ হাজার এবং ওকিনাওয়ায় ১২ হাজার ভবন বর্তমানে অন্ধকারে রয়েছে।
এদিকে জাপান অতিক্রম করে টাইফুনটি চীনের পূর্ব উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় চীনের ঝেজিয়াং ও ফুজিয়ান প্রদেশে ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। দেশটির ন্যাশনাল মেটিওরোলজিক্যাল সেন্টার জানিয়েছে, সোমবার ভোরের মধ্যে ঝড়টি চীনের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। নিরাপত্তার স্বার্থে ইতিমধ্যে ফেরি চলাচল ও বন্দর কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঝড়ের প্রভাবে চীনের উপকূলে ৬০০ মিলিমিটার পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কায় উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
রিপোর্টারের নাম 

























