মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

হরমুজ প্রণালি অবরোধ: ইরাকের তেল রপ্তানিতে ৭৫ শতাংশ ধস

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও হরমুজ প্রণালি অবরোধের কারণে ইরাকের তেল রপ্তানি অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। দেশটির তেলমন্ত্রী বাসেম মোহাম্মদ খুদাইর জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে ইরাকের তেল রপ্তানিতে প্রায় ৭৫ শতাংশ ধস নেমেছে। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সংকটের আগে ইরাক প্রতিদিন প্রায় ৩৪ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করলেও বর্তমানে তা ১৫-১৭ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে।

ইরাকি তেলমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশটিতে দৈনিক প্রায় ২৭ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হচ্ছে, কিন্তু পরিবহনের নিরাপদ রুট না থাকায় তা আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইরাক সরকার এখন রপ্তানি অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিকল্প রুট তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমাতে বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অন্যতম প্রধান এই নৌপথটি অবরুদ্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ও দামে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইরাক সরকার জানিয়েছে, তাদের তেল স্থাপনা ও বিদেশি কোম্পানিগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। তবে আঞ্চলিক শান্তি ফিরে না আসা পর্যন্ত জ্বালানি খাতের এই সংকট কাটানো চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উজিরপুরে বিএনপি নেতার বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাস্যরস

হরমুজ প্রণালি অবরোধ: ইরাকের তেল রপ্তানিতে ৭৫ শতাংশ ধস

আপডেট সময় : ০৬:০৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও হরমুজ প্রণালি অবরোধের কারণে ইরাকের তেল রপ্তানি অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। দেশটির তেলমন্ত্রী বাসেম মোহাম্মদ খুদাইর জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে ইরাকের তেল রপ্তানিতে প্রায় ৭৫ শতাংশ ধস নেমেছে। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সংকটের আগে ইরাক প্রতিদিন প্রায় ৩৪ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করলেও বর্তমানে তা ১৫-১৭ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে।

ইরাকি তেলমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশটিতে দৈনিক প্রায় ২৭ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হচ্ছে, কিন্তু পরিবহনের নিরাপদ রুট না থাকায় তা আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইরাক সরকার এখন রপ্তানি অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিকল্প রুট তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমাতে বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অন্যতম প্রধান এই নৌপথটি অবরুদ্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ও দামে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইরাক সরকার জানিয়েছে, তাদের তেল স্থাপনা ও বিদেশি কোম্পানিগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। তবে আঞ্চলিক শান্তি ফিরে না আসা পর্যন্ত জ্বালানি খাতের এই সংকট কাটানো চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।