মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

চবিতে ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে আবাসিক হলের দাবিতে মানববন্ধন

উপজেলা প্রতিনিধি, হাটহাজারী (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) এ.কে.এম. ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে একটি হলের নামকরণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে ‘ছাত্র-অভিভাবক’ ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক মোহাম্মদ আলী সুমনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি আবু জাফর চৌধুরী।
এ সময় বক্তব্য দেন রাজনীতিবিদ সাবের সুলতান কাজল, সমাজসেবক মোজাম্মেল হক, সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ সৈয়দ মো. তৌহিদুল আলম, সোহেল চৌধুরী, জাকির হোসেন চৌধুরী, মো. হোসেন, জীবন খোন্দকার, নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, ছাত্রনেতা নাইম, উদ্দিন মিনহাজ, ইয়াছিন উদ্দিন মাসুদ, মোহাম্মদ ফরহাদ খোন্দকার, জাহেদুল আলম, তৌসিফ চৌধুরী, সাকিব চৌধুরী, ছাত্রনেতা রাসেল আল সামির, ছাত্রনেতা আরমান, সমাজসেবক তানভীর পারভেজ চয়ন, ইয়াকুব উদ্দিন আরিফ, রিপন, সায়মন, আয়মন, ছাত্রনেতা আরমান খোন্দকার সিমন, আবু সাজিদ রিয়ান ও সাইফুল। এছাড়া শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সচেতন নাগরিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মানববন্ধনে অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, ১৯৬২ সালে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে এ.কে.এম. ফজলুল কাদের চৌধুরী চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে ১৯৬৩ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টি কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। ১৯৬৪ সালের ৯ মার্চ তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অর্থ অনুমোদন করা হয়। একই বছরের ২৯ আগস্ট প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
বক্তারা আরো বলেন, প্রতিষ্ঠাতার স্মৃতি সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের কাছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে চলতি বছরের বিশ্ববিদ্যালয় দিবস (১৮ নভেম্বর) উদযাপনের আগেই এ.কে.এম. ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে একটি আবাসিক হলের নামকরণ করা উচিত।
মানববন্ধন শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আল ফোরকানের কাছে এ দাবিতে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) এ.কে.এম. ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে একটি হলের নামকরণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে ‘ছাত্র-অভিভাবক’ ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক মোহাম্মদ আলী সুমনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি আবু জাফর চৌধুরী।
এ সময় বক্তব্য দেন রাজনীতিবিদ সাবের সুলতান কাজল, সমাজসেবক মোজাম্মেল হক, সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ সৈয়দ মো. তৌহিদুল আলম, সোহেল চৌধুরী, জাকির হোসেন চৌধুরী, মো. হোসেন, জীবন খোন্দকার, নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, ছাত্রনেতা নাইম, উদ্দিন মিনহাজ, ইয়াছিন উদ্দিন মাসুদ, মোহাম্মদ ফরহাদ খোন্দকার, জাহেদুল আলম, তৌসিফ চৌধুরী, সাকিব চৌধুরী, ছাত্রনেতা রাসেল আল সামির, ছাত্রনেতা আরমান, সমাজসেবক তানভীর পারভেজ চয়ন, ইয়াকুব উদ্দিন আরিফ, রিপন, সায়মন, আয়মন, ছাত্রনেতা আরমান খোন্দকার সিমন, আবু সাজিদ রিয়ান ও সাইফুল। এছাড়া শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সচেতন নাগরিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মানববন্ধনে অংশ নেন। Time & Calendars
বক্তারা বলেন, ১৯৬২ সালে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে এ.কে.এম. ফজলুল কাদের চৌধুরী চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে ১৯৬৩ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টি কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। ১৯৬৪ সালের ৯ মার্চ তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অর্থ অনুমোদন করা হয়। একই বছরের ২৯ আগস্ট প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
বক্তারা আরো বলেন, প্রতিষ্ঠাতার স্মৃতি সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের কাছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে চলতি বছরের বিশ্ববিদ্যালয় দিবস (১৮ নভেম্বর) উদযাপনের আগেই এ.কে.এম. ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে একটি আবাসিক হলের নামকরণ করা উচিত।
মানববন্ধন শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আল ফোরকানের কাছে এ দাবিতে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প: প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা

চবিতে ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে আবাসিক হলের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৫:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

উপজেলা প্রতিনিধি, হাটহাজারী (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) এ.কে.এম. ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে একটি হলের নামকরণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে ‘ছাত্র-অভিভাবক’ ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক মোহাম্মদ আলী সুমনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি আবু জাফর চৌধুরী।
এ সময় বক্তব্য দেন রাজনীতিবিদ সাবের সুলতান কাজল, সমাজসেবক মোজাম্মেল হক, সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ সৈয়দ মো. তৌহিদুল আলম, সোহেল চৌধুরী, জাকির হোসেন চৌধুরী, মো. হোসেন, জীবন খোন্দকার, নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, ছাত্রনেতা নাইম, উদ্দিন মিনহাজ, ইয়াছিন উদ্দিন মাসুদ, মোহাম্মদ ফরহাদ খোন্দকার, জাহেদুল আলম, তৌসিফ চৌধুরী, সাকিব চৌধুরী, ছাত্রনেতা রাসেল আল সামির, ছাত্রনেতা আরমান, সমাজসেবক তানভীর পারভেজ চয়ন, ইয়াকুব উদ্দিন আরিফ, রিপন, সায়মন, আয়মন, ছাত্রনেতা আরমান খোন্দকার সিমন, আবু সাজিদ রিয়ান ও সাইফুল। এছাড়া শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সচেতন নাগরিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মানববন্ধনে অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, ১৯৬২ সালে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে এ.কে.এম. ফজলুল কাদের চৌধুরী চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে ১৯৬৩ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টি কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। ১৯৬৪ সালের ৯ মার্চ তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অর্থ অনুমোদন করা হয়। একই বছরের ২৯ আগস্ট প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
বক্তারা আরো বলেন, প্রতিষ্ঠাতার স্মৃতি সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের কাছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে চলতি বছরের বিশ্ববিদ্যালয় দিবস (১৮ নভেম্বর) উদযাপনের আগেই এ.কে.এম. ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে একটি আবাসিক হলের নামকরণ করা উচিত।
মানববন্ধন শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আল ফোরকানের কাছে এ দাবিতে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) এ.কে.এম. ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে একটি হলের নামকরণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে ‘ছাত্র-অভিভাবক’ ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক মোহাম্মদ আলী সুমনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি আবু জাফর চৌধুরী।
এ সময় বক্তব্য দেন রাজনীতিবিদ সাবের সুলতান কাজল, সমাজসেবক মোজাম্মেল হক, সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ সৈয়দ মো. তৌহিদুল আলম, সোহেল চৌধুরী, জাকির হোসেন চৌধুরী, মো. হোসেন, জীবন খোন্দকার, নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, ছাত্রনেতা নাইম, উদ্দিন মিনহাজ, ইয়াছিন উদ্দিন মাসুদ, মোহাম্মদ ফরহাদ খোন্দকার, জাহেদুল আলম, তৌসিফ চৌধুরী, সাকিব চৌধুরী, ছাত্রনেতা রাসেল আল সামির, ছাত্রনেতা আরমান, সমাজসেবক তানভীর পারভেজ চয়ন, ইয়াকুব উদ্দিন আরিফ, রিপন, সায়মন, আয়মন, ছাত্রনেতা আরমান খোন্দকার সিমন, আবু সাজিদ রিয়ান ও সাইফুল। এছাড়া শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সচেতন নাগরিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মানববন্ধনে অংশ নেন। Time & Calendars
বক্তারা বলেন, ১৯৬২ সালে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে এ.কে.এম. ফজলুল কাদের চৌধুরী চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে ১৯৬৩ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টি কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। ১৯৬৪ সালের ৯ মার্চ তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অর্থ অনুমোদন করা হয়। একই বছরের ২৯ আগস্ট প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
বক্তারা আরো বলেন, প্রতিষ্ঠাতার স্মৃতি সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের কাছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে চলতি বছরের বিশ্ববিদ্যালয় দিবস (১৮ নভেম্বর) উদযাপনের আগেই এ.কে.এম. ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে একটি আবাসিক হলের নামকরণ করা উচিত।
মানববন্ধন শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আল ফোরকানের কাছে এ দাবিতে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন