প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত সাবেক এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩ আগস্ট, ২০২৬) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি. এম. তারিকুল কবীরের আদালত এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
আদালত সূত্র জানায়, অভিযোগ গঠনের শুনানির সময় আসামি মতিউরকে আদালতে হাজির করা হয়। তার আইনজীবী মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন অব্যাহতির আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে মতিউরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, সাবেক এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এসব মামলা করে।
দুদকের অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, মতিউর রহমান ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়াও, তিনি দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অপরাধলব্ধ আয়ে নিজ নামে গোপনে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগও আনা হয়েছে।
মতিউর রহমানকে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন এবং বর্তমানে তার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলো।
রিপোর্টারের নাম 























