নরসিংদীর পলাশ উপজেলার জিনারদী ইউনিয়নের লালমাটি অঞ্চলের ‘মধু’ আনারস তার অসাধারণ রসালো স্বাদ ও মিষ্টি গন্ধের জন্য দেশজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছে। এখানকার উর্বর লালমাটিতে উৎপাদিত এই আনারস শুধু স্থানীয়দেরই নয়, বরং নরসিংদীসহ পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেও অসংখ্য মানুষকে আকর্ষণ করে। অনেকেই এই আনারস বাগান দেখতে, খেতে এবং কিনতে ছুটে আসেন।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এই অঞ্চলের লালমাটি আনারস চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বর্তমানে ১১টি গ্রামে প্রায় ১৪৪ হেক্টর জমিতে আনারসের আবাদ হচ্ছে, এবং প্রতি হেক্টর থেকে প্রায় ১২ টন আনারস উৎপাদন হচ্ছে। এখানকার কৃষকরা, যেমন সুরুজ মিয়া এবং অজিদ দত্ত, বাপ-দাদার পেশা ধরে রেখে আনারস চাষ করছেন। তারা জৈব সার ব্যবহার করে উন্নত মানের আনারস উৎপাদন করছেন। এই আনারসের চাহিদা এতটাই বেশি যে, অনেকে বাগান বিক্রি না করে প্রতিদিন অল্প অল্প করে তাজা ফল বিক্রি করে বেশি লাভ করছেন।
তবে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দেশের অন্য প্রান্ত থেকে আনারস এনে এই এলাকার সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা এই অপপ্রচেষ্টা রোধে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একজন কৃষক, অজিদ দত্ত, তার আনারস বাগান বিক্রি করে মেয়ের নার্সিং পড়ার খরচ জোগানোর পরিকল্পনা করছেন, যা এই ফসলের অর্থনৈতিক গুরুত্বকেই তুলে ধরে।
রিপোর্টারের নাম 

























