ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

বর্ষা ঘিরে মানিকগঞ্জে শতবর্ষী নৌকার হাটে জমজমাট বেচাকেনা

বর্ষা মৌসুমকে ঘিরে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার শতবর্ষী নৌকার হাটে প্রাণ ফিরে এসেছে। প্রতি বুধবার এই হাটে চলছে জমজমাট বেচাকেনা।

বর্ষার পানিতে যখন নদ-নদী আর খাল-বিল ভরে ওঠে, তখনই নৌকার চাহিদা বাড়ে। বিশেষ করে নিম্নাঞ্চলের মানুষ তাদের কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্য নৌকার ওপর নির্ভরশীল। চাহিদা মোতাবেক নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঘিওরের নৌকার কারিগররা।

সকালের দিকে ছোট ছোট যানবাহন ও নৌকায় করে বিভিন্ন আকারের ডিঙ্গি নৌকা হাটে আসতে থাকে। সঙ্গে থাকেন কাঠমিস্ত্রি ও বিক্রেতারা। ক্রেতারা নৌকার মান ও আকার দেখে দরদাম করে কিনে নিচ্ছেন।

বিক্রেতারা জানান, নৌকা তৈরির কাঁচামাল—বিশেষ করে কাঠ, লোহা ও অন্যান্য উপকরণের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে দক্ষ কারিগরদের মজুরিও। তাই আগের তুলনায় নৌকার দাম কিছুটা বেশি। বর্তমানে নৌকার আকার ও মানভেদে প্রতিটি ডিঙ্গি নৌকা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকায়।

ঘিওর উপজেলার মাচাইনের সোরহাব ব্যাপারি বলেন, পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নৌকার দাম বেড়ে যায়। এখানে বিভিন্ন ধরনের নৌকা বিক্রি হয়। কাঠের, স্টিলের ছোট বড় নানা ধরনের নৌকা বিভিন্ন এলাকা থেকে এখানে বিক্রি হচ্ছে। দৌলতপুর থেকে হাটে নৌকা কিনতে এসেছেন শাহজাহান মিয়া। তিনি বলেন, নৌকা ছাড়া চলা যায় না। এবার নৌকার দাম একটু বেশি। গত হাটের তুলনায় এই হাটে দাম বেশি চাচ্ছে ব্যবসায়ীরা।

নৌকার বৈঠা ব্যবসায়ী অজয় সূত্রধর বলেন, প্রতি বুধবার এই হাটে প্রায় ৯ থেকে ১০ লাখ টাকার নৌকা কেনাবেচা হয়। ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাশিতা তুল ইসলাম বলেন, ঘিওয়ে ঐতিহ্যবাহী নৌকার হাট এটি। সপ্তাহে প্রতি বুধবার বসে। হাটে অনেক ধরনের নৌকা ওঠে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারেন বাংলাদেশিরা

বর্ষা ঘিরে মানিকগঞ্জে শতবর্ষী নৌকার হাটে জমজমাট বেচাকেনা

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

বর্ষা মৌসুমকে ঘিরে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার শতবর্ষী নৌকার হাটে প্রাণ ফিরে এসেছে। প্রতি বুধবার এই হাটে চলছে জমজমাট বেচাকেনা।

বর্ষার পানিতে যখন নদ-নদী আর খাল-বিল ভরে ওঠে, তখনই নৌকার চাহিদা বাড়ে। বিশেষ করে নিম্নাঞ্চলের মানুষ তাদের কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্য নৌকার ওপর নির্ভরশীল। চাহিদা মোতাবেক নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঘিওরের নৌকার কারিগররা।

সকালের দিকে ছোট ছোট যানবাহন ও নৌকায় করে বিভিন্ন আকারের ডিঙ্গি নৌকা হাটে আসতে থাকে। সঙ্গে থাকেন কাঠমিস্ত্রি ও বিক্রেতারা। ক্রেতারা নৌকার মান ও আকার দেখে দরদাম করে কিনে নিচ্ছেন।

বিক্রেতারা জানান, নৌকা তৈরির কাঁচামাল—বিশেষ করে কাঠ, লোহা ও অন্যান্য উপকরণের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে দক্ষ কারিগরদের মজুরিও। তাই আগের তুলনায় নৌকার দাম কিছুটা বেশি। বর্তমানে নৌকার আকার ও মানভেদে প্রতিটি ডিঙ্গি নৌকা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকায়।

ঘিওর উপজেলার মাচাইনের সোরহাব ব্যাপারি বলেন, পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নৌকার দাম বেড়ে যায়। এখানে বিভিন্ন ধরনের নৌকা বিক্রি হয়। কাঠের, স্টিলের ছোট বড় নানা ধরনের নৌকা বিভিন্ন এলাকা থেকে এখানে বিক্রি হচ্ছে। দৌলতপুর থেকে হাটে নৌকা কিনতে এসেছেন শাহজাহান মিয়া। তিনি বলেন, নৌকা ছাড়া চলা যায় না। এবার নৌকার দাম একটু বেশি। গত হাটের তুলনায় এই হাটে দাম বেশি চাচ্ছে ব্যবসায়ীরা।

নৌকার বৈঠা ব্যবসায়ী অজয় সূত্রধর বলেন, প্রতি বুধবার এই হাটে প্রায় ৯ থেকে ১০ লাখ টাকার নৌকা কেনাবেচা হয়। ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাশিতা তুল ইসলাম বলেন, ঘিওয়ে ঐতিহ্যবাহী নৌকার হাট এটি। সপ্তাহে প্রতি বুধবার বসে। হাটে অনেক ধরনের নৌকা ওঠে।