ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

ইরানে মার্কিন হামলা স্থগিত: যুদ্ধ এড়াতে কূটনৈতিক আলোচনার সুযোগ

ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে টানা ১৩ রাত হামলার পর মার্কিন ট্রাম্প প্রশাসন সাময়িকভাবে আক্রমণ স্থগিত করেছে। কূটনৈতিক আলোচনা সফল করার সুযোগ দিতেই এই অনির্দিষ্টকালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। রবিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

মাত্র তিন সপ্তাহ আগে হরমুজ প্রণালিতে অন্তত দুই থেকে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটে, যা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে যে এই হামলা তাদের সাথে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) শর্ত লঙ্ঘন করেছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাকিস্তান ও কাতারের মতো মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে। তারা রক্তক্ষয়ী সংঘাত এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে সরে আসার আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে, তারা মুখোমুখি বসে সমস্যার সমাধান এবং গত জুনের মাঝামাঝি সময়ে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের মূল ভিত্তি—’যুদ্ধবিরতি’ বহাল রাখার ওপর জোর দেয়।

মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর এই প্রচেষ্টার পরই উভয় দেশ হামলায় বিরতি দিতে সম্মত হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে, এই আলোচনার মাধ্যমে স্থগিত হওয়া সমঝোতা স্মারকটি পুনরায় পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হবে কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থনীতিতে চাপের শঙ্কা: নতুন বেতন কাঠামো দুই বছর পেছানোর পরামর্শ আইএমএফের

ইরানে মার্কিন হামলা স্থগিত: যুদ্ধ এড়াতে কূটনৈতিক আলোচনার সুযোগ

আপডেট সময় : ০৯:০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে টানা ১৩ রাত হামলার পর মার্কিন ট্রাম্প প্রশাসন সাময়িকভাবে আক্রমণ স্থগিত করেছে। কূটনৈতিক আলোচনা সফল করার সুযোগ দিতেই এই অনির্দিষ্টকালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। রবিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

মাত্র তিন সপ্তাহ আগে হরমুজ প্রণালিতে অন্তত দুই থেকে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটে, যা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে যে এই হামলা তাদের সাথে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) শর্ত লঙ্ঘন করেছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাকিস্তান ও কাতারের মতো মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে। তারা রক্তক্ষয়ী সংঘাত এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে সরে আসার আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে, তারা মুখোমুখি বসে সমস্যার সমাধান এবং গত জুনের মাঝামাঝি সময়ে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের মূল ভিত্তি—’যুদ্ধবিরতি’ বহাল রাখার ওপর জোর দেয়।

মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর এই প্রচেষ্টার পরই উভয় দেশ হামলায় বিরতি দিতে সম্মত হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে, এই আলোচনার মাধ্যমে স্থগিত হওয়া সমঝোতা স্মারকটি পুনরায় পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হবে কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়।