ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলগুলোতে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য আধুনিক ডিজিটাল সিকিউরিটি গেট স্থাপনের দাবি জানিয়েছে। এছাড়াও, বহিরাগত ও অছাত্রদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে যাচাই-বাছাইয়ের নামে শিক্ষার্থীদের যে ভোগান্তি পোহাতে হয়, তা দূর করারও আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে, রাতে ছাত্রী হলে প্রবেশের সময়সীমা যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি এবং এ সংক্রান্ত হয়রানি বন্ধের দাবিও উত্থাপন করেছে ডাকসু।
রবিবার (২৬ জুলাই) ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে এই দাবিগুলো এবং এগুলোর কার্যকর সমাধানের রূপরেখা আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করে। ডাকসুর পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতিটি ছাত্রী হলে আধুনিক ডিজিটাল সিকিউরিটি গেট স্থাপনের প্রস্তাব তারা আগেই দিয়েছিল এবং এই উদ্দেশ্যে স্পন্সরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল।
প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ড পাঞ্চ, ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির সমন্বয়ে একটি আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা ছিল। ডাকসুর নিরন্তর প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অসহযোগিতা ও অনুমোদন না পাওয়ার কারণে এই উদ্যোগটি এখনো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। ডাকসুর মতে, ডিজিটাল সিকিউরিটি ব্যবস্থা চালু হলে ছাত্রী হলগুলোর নিরাপত্তা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেত এবং হলে প্রবেশের সময়সীমা বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিদ্যমান জটিলতারও যৌক্তিক সমাধান সম্ভব হতো।
প্রতিনিধিদল নারী শিক্ষার্থীদের রাতে হলে প্রবেশের ক্ষেত্রে অহেতুক হয়রানি বন্ধ এবং হলে প্রবেশের সময়সীমা যৌক্তিকভাবে বাড়ানোর আবেদন জানায়। পাশাপাশি, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ হলে প্রবেশ এবং এক হলের নারী শিক্ষার্থীদের অন্য ছাত্রী হলে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টির দাবিও জানানো হয়। এছাড়া, নারী শিক্ষার্থীদের পিতামাতার হলে আসাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ভোগান্তি নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। ডাকসুর বক্তব্য অনুযায়ী, অতীতে এসব বিষয়ে ফলপ্রসূ ও বাস্তবসম্মত আলোচনা হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর সিদ্ধান্ত নেয়নি। তাই, বিষয়গুলোর দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে তারা একই দাবির পুনরাবৃত্তি করেছে।
রিপোর্টারের নাম 



















