ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

জনগণের অধিকার রক্ষায় স্বৈরাচার রুখতে অঙ্গীকারবদ্ধ সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেছেন যে, কোনো অবস্থাতেই দেশে স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ যাতে ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা সকলের দায়িত্ব। মন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে তারা বসে নেই এবং তাদের অনুসারীরা এখনো তৎপর। যারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ২০০৯ সালের মতো ক্ষমতায় ফিরে আসার স্বপ্ন দেখছিল, তাদের সেই স্বপ্নও ভেঙে গেছে কারণ জনগণ তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে।

রোববার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাহিদ হোসেন বলেন, জনগণের ঐক্য ও আকাঙ্ক্ষায় ফাটল ধরানোর জন্য নানা ষড়যন্ত্র হতে পারে। তবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জনগণের দল এবং এটি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটায়। তিনি আরও বলেন, এই দল সকল ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিএনপির এই নেতা বলেন, দলের যেমন সমৃদ্ধ অতীত রয়েছে, তেমনই উজ্জ্বল বর্তমানও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী বাংলাদেশ হবে একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র, যেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে, অন্যায়, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারের কোনো স্থান থাকবে না এবং মানুষ মাথা উঁচু করে বাঁচবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এমন একটি বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে পারলে শহীদ, গুম হওয়া নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগের কষ্ট লাঘব হবে এবং দেশের মানুষ মুক্তি পাবে।

মন্ত্রী জানান, সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ, পঙ্গুত্ববরণকারী ও চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের জন্য একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছে। এই অধিদপ্তর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বার্থ সংরক্ষণ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে গুম, শহীদ ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের এবং জুলাই-আগস্টে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবার ও সদস্যদের পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব পালন করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টি-টোয়েন্টি সিরিজে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল ভারত

জনগণের অধিকার রক্ষায় স্বৈরাচার রুখতে অঙ্গীকারবদ্ধ সমাজকল্যাণমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:৫৩:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেছেন যে, কোনো অবস্থাতেই দেশে স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ যাতে ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা সকলের দায়িত্ব। মন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে তারা বসে নেই এবং তাদের অনুসারীরা এখনো তৎপর। যারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ২০০৯ সালের মতো ক্ষমতায় ফিরে আসার স্বপ্ন দেখছিল, তাদের সেই স্বপ্নও ভেঙে গেছে কারণ জনগণ তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে।

রোববার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাহিদ হোসেন বলেন, জনগণের ঐক্য ও আকাঙ্ক্ষায় ফাটল ধরানোর জন্য নানা ষড়যন্ত্র হতে পারে। তবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জনগণের দল এবং এটি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটায়। তিনি আরও বলেন, এই দল সকল ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিএনপির এই নেতা বলেন, দলের যেমন সমৃদ্ধ অতীত রয়েছে, তেমনই উজ্জ্বল বর্তমানও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী বাংলাদেশ হবে একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র, যেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে, অন্যায়, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারের কোনো স্থান থাকবে না এবং মানুষ মাথা উঁচু করে বাঁচবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এমন একটি বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে পারলে শহীদ, গুম হওয়া নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগের কষ্ট লাঘব হবে এবং দেশের মানুষ মুক্তি পাবে।

মন্ত্রী জানান, সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ, পঙ্গুত্ববরণকারী ও চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের জন্য একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছে। এই অধিদপ্তর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বার্থ সংরক্ষণ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে গুম, শহীদ ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের এবং জুলাই-আগস্টে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবার ও সদস্যদের পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব পালন করবে।