ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

বর্ষায় তেনাচিড়া বিল: উত্তরবঙ্গের এক টুকরো ‘মিনি কক্সবাজার’

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নে অবস্থিত তেনাচিড়া বিল বর্ষাকালে এক মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্যের অবতারণা করে, যা উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে এক টুকরো ‘মিনি কক্সবাজার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এলজিইডির নির্মাণাধীন সড়কের দুপাশে জলরাশি, ভাসমান সাদা শাপলা ও গোলাপি পদ্ম, এবং বিলের বুকে ছোট ছোট নৌকার চলাচল এক অপরূপ সৌন্দর্যের সৃষ্টি করেছে। সরু আঁকাবাঁকা পাকা সড়ক, দুপাশে সারি সারি গাছ, সবুজ প্রকৃতি, শীতল বাতাস, ঢেউ খেলানো জলরাশি এবং মনোমুগ্ধকর সূর্যাস্তের দৃশ্য দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।

প্রতিদিন বিকেলে সাঘাটা, গাইবান্ধা, বগুড়া, রংপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু মানুষ এখানে ছুটে আসেন। পরিবার, বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য কনটেন্ট তৈরি করতে আসা মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। শাপলা-পদ্মে ভরা বিল এবং ছোট ছোট ডিঙি নৌকার দৃশ্য দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ যোগ করেছে। অনেকেই নৌকায় ভেসে বিল ঘুরে দেখছেন এবং কেউ কেউ হাঁটুপানিতে নেমে গোসল করে বর্ষার নির্মল পরিবেশ উপভোগ করছেন। শিশুদের হাসি, পানির কলকল শব্দ এবং পাখির ডাক মিলেমিশে এক প্রশান্তিময় পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত দর্শনার্থীরা এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করেছেন এবং এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনার কথা বলেছেন। নৌকার মাঝি এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বিলটির সৌন্দর্যের কথা উল্লেখ করে এটিকে সংরক্ষণের ওপর জোর দিয়েছেন। সাংবাদিক ও লেখকরা তেনাচিড়া বিলকে গ্রামবাংলার প্রকৃত সৌন্দর্যের প্রতিচ্ছবি হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং পরিকল্পিত উন্নয়ন করা গেলে এটি দেশজুড়ে পরিচিত একটি ইকো-ট্যুরিজম স্পট হয়ে উঠতে পারে বলে মত প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুরক্ষাই প্রথম: শিশুর নিরাপদ শৈশবকে জাতীয় অগ্রাধিকারের দাবি

বর্ষায় তেনাচিড়া বিল: উত্তরবঙ্গের এক টুকরো ‘মিনি কক্সবাজার’

আপডেট সময় : ১২:৩৩:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নে অবস্থিত তেনাচিড়া বিল বর্ষাকালে এক মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্যের অবতারণা করে, যা উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে এক টুকরো ‘মিনি কক্সবাজার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এলজিইডির নির্মাণাধীন সড়কের দুপাশে জলরাশি, ভাসমান সাদা শাপলা ও গোলাপি পদ্ম, এবং বিলের বুকে ছোট ছোট নৌকার চলাচল এক অপরূপ সৌন্দর্যের সৃষ্টি করেছে। সরু আঁকাবাঁকা পাকা সড়ক, দুপাশে সারি সারি গাছ, সবুজ প্রকৃতি, শীতল বাতাস, ঢেউ খেলানো জলরাশি এবং মনোমুগ্ধকর সূর্যাস্তের দৃশ্য দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।

প্রতিদিন বিকেলে সাঘাটা, গাইবান্ধা, বগুড়া, রংপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু মানুষ এখানে ছুটে আসেন। পরিবার, বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য কনটেন্ট তৈরি করতে আসা মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। শাপলা-পদ্মে ভরা বিল এবং ছোট ছোট ডিঙি নৌকার দৃশ্য দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ যোগ করেছে। অনেকেই নৌকায় ভেসে বিল ঘুরে দেখছেন এবং কেউ কেউ হাঁটুপানিতে নেমে গোসল করে বর্ষার নির্মল পরিবেশ উপভোগ করছেন। শিশুদের হাসি, পানির কলকল শব্দ এবং পাখির ডাক মিলেমিশে এক প্রশান্তিময় পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত দর্শনার্থীরা এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করেছেন এবং এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনার কথা বলেছেন। নৌকার মাঝি এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বিলটির সৌন্দর্যের কথা উল্লেখ করে এটিকে সংরক্ষণের ওপর জোর দিয়েছেন। সাংবাদিক ও লেখকরা তেনাচিড়া বিলকে গ্রামবাংলার প্রকৃত সৌন্দর্যের প্রতিচ্ছবি হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং পরিকল্পিত উন্নয়ন করা গেলে এটি দেশজুড়ে পরিচিত একটি ইকো-ট্যুরিজম স্পট হয়ে উঠতে পারে বলে মত প্রকাশ করেছেন।