ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

নীলক্ষেত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন সাংবাদিক মোতাহার হোসেন

রাজধানীর নীলক্ষেত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মোতাহার হোসেন। ঢাকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আগামী তিন বছরের জন্য এই নতুন কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।

কমিটিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল নাঈমাকে সদস্য সচিব এবং সন্ধ্যা রানী ঘোষকে সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। ১২ সদস্যের এই কমিটিতে শিক্ষক প্রতিনিধি, অভিভাবক প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। নবনিযুক্ত সভাপতি মোতাহার হোসেন বর্তমানে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস-এ কর্মরত এবং তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং সার্বিক স্বার্থ রক্ষায় এই কমিটি কাজ করবে। কোনো সদস্য বিদ্যালয়ের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হলে তার সদস্যপদ বাতিল করা হবে। নতুন এই কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও শিক্ষা পরিবেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে টানা ১০ রাত মার্কিন হামলা, পাল্টা জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা

নীলক্ষেত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন সাংবাদিক মোতাহার হোসেন

আপডেট সময় : ০২:১১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর নীলক্ষেত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মোতাহার হোসেন। ঢাকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আগামী তিন বছরের জন্য এই নতুন কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।

কমিটিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল নাঈমাকে সদস্য সচিব এবং সন্ধ্যা রানী ঘোষকে সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। ১২ সদস্যের এই কমিটিতে শিক্ষক প্রতিনিধি, অভিভাবক প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। নবনিযুক্ত সভাপতি মোতাহার হোসেন বর্তমানে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস-এ কর্মরত এবং তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং সার্বিক স্বার্থ রক্ষায় এই কমিটি কাজ করবে। কোনো সদস্য বিদ্যালয়ের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হলে তার সদস্যপদ বাতিল করা হবে। নতুন এই কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও শিক্ষা পরিবেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।