মেটলাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত ৮০ হাজারেরও বেশি দর্শকের হৃদয় ভেঙে ২০২৬ বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলল স্পেন। ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১-০ গোলের জয় পেয়েছে স্প্যানিশরা। তবে হারের বিষাদ ছাপিয়ে এই ফাইনালটি হয়ে থাকল ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নায়ক লিওনেল মেসির বিদায়ের এক মহাকাব্যিক মুহূর্ত। ৩৯ বছর বয়সেও মাঠের লড়াইয়ে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন এই ফুটবল জাদুকর।
পুরো টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার ১৯টি গোলের মধ্যে ১২টিতেই সরাসরি অবদান ছিল মেসির। ৮টি গোল এবং ৪টি অ্যাসিস্ট করে তিনি আবারও প্রমাণ করেছেন যে, বয়স কেবলই একটি সংখ্যা। যদিও গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কিলিয়ান এমবাপ্পের চেয়ে সামান্য পিছিয়ে থেকে রানার্সআপ হয়েছেন তিনি, তবুও ফুটবল রোমান্টিকদের হৃদয়ে তিনি অমর হয়ে থাকবেন। টুর্নামেন্ট চলাকালে মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙে শীর্ষে উঠলেও শেষ পর্যন্ত এমবাপ্পে তাকে ছাড়িয়ে যান। ২১টি বিশ্বকাপ গোল নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন এই মহাতারকা।
পরিসংখ্যান দিয়ে মেসির ক্যারিয়ারের মাহাত্ম্য বোঝানো অসম্ভব। তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপের ফাইনালে অধিনায়কত্ব করার অনন্য রেকর্ড এখন তার দখলে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২০০ ম্যাচের অভিজাত ক্লাবে নাম লেখানোর পাশাপাশি ১২৫টি গোল করে তিনি ফুটবল বিশ্বকে ঋণী করে গেছেন। ট্রফি হয়তো স্পেনের ক্যাবিনেটে গেছে, কিন্তু ফুটবল বিশ্ব আজীবন মনে রাখবে এক বিষাদগ্রস্ত রাজপুত্রের বীরত্বগাথা।
রিপোর্টারের নাম 

























