ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

নির্ধারিত সময় পার হলেও শেষ হয়নি হাটহাজারীর আনন্দবাজার সেতুর নির্মাণকাজ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার গড়দুয়ারা ও মেখল ইউনিয়নকে সংযোগকারী সারাং সড়কের আনন্দবাজার সেতুর নির্মাণকাজ দুই বছরেও শেষ হয়নি। নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ সম্পন্ন করতে না পারায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পার হতে হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ২১ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের অক্টোবরে। চুক্ত অনুযায়ী ২০২৪ সালের অক্টোবরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে কেবল পিলারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বৃষ্টির কারণে বর্তমানে কাজের গতি আরও মন্থর হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, অতিবৃষ্টির কারণে সেতুর ঢালাইয়ের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মুমিন সেতু এলাকা পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতারণার মামলায় জামিন পেলেন তৌহিদ আফ্রিদি

নির্ধারিত সময় পার হলেও শেষ হয়নি হাটহাজারীর আনন্দবাজার সেতুর নির্মাণকাজ

আপডেট সময় : ০৯:০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার গড়দুয়ারা ও মেখল ইউনিয়নকে সংযোগকারী সারাং সড়কের আনন্দবাজার সেতুর নির্মাণকাজ দুই বছরেও শেষ হয়নি। নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ সম্পন্ন করতে না পারায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পার হতে হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ২১ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের অক্টোবরে। চুক্ত অনুযায়ী ২০২৪ সালের অক্টোবরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে কেবল পিলারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বৃষ্টির কারণে বর্তমানে কাজের গতি আরও মন্থর হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, অতিবৃষ্টির কারণে সেতুর ঢালাইয়ের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মুমিন সেতু এলাকা পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন।