চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) এবং এক্সিলেন্স বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) সফলভাবে একটি চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী এই আয়োজনে মেঘনা গ্রুপ, ইসলামী ব্যাংক, ইবনে সিনা, প্রাণ, সিটি ব্যাংকসহ প্রায় ৩০টি দেশীয় ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী তাদের জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) জমা দিয়েছেন।
গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বর ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি চট্টগ্রামের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন, যা মেলাকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, মেলায় অংশ নেওয়া প্রায় ৩০টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থীর জন্য ফুলটাইম চাকরি, পার্টটাইম কাজ ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা মেলায় আগত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের যোগ্যতা ও আগ্রহ অনুযায়ী সিভি সংগ্রহ করেন।
চাকরি মেলার পাশাপাশি একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ক্যারিয়ার সামিটের আয়োজন করা হয়। ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই সামিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ থেকে নির্ধারিত সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেন। এতে চাকরির প্রস্তুতি, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
মেলায় অংশ নেওয়া পদার্থবিদ্যা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তাসনিয়া ফাইরুজ হাসান বলেন, “একই জায়গায় অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পাওয়ায় এই মেলায় অংশ নিয়েছি। স্নাতক শেষ না হলেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেছি এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে সিভি জমা দিয়েছি। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার সম্পর্কে ধারণা পেয়েছি।” চাকসুর এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নেটওয়ার্ক তৈরি করার পাশাপাশি নিজেদের সিভি ও চাকরির প্রস্তুতির বিষয়ে বাস্তব ধারণা পাচ্ছেন।
চাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সোহানুর রহমান সোহান এই মেলাকে সফল উল্লেখ করে বলেন, “শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও আমরা ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। প্রতিটি স্টলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের জমা দেওয়া সিভি ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি স্টলের জন্য স্বেচ্ছাসেবকরা তাদের কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করেছেন।”
রিপোর্টারের নাম 
























