জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের এখন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ক্যানসারের মতো মরণব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীরা প্রয়োজনীয় রেডিওথেরাপির জন্য সিরিয়াল পাচ্ছেন ২০২৭ সালে। টাঙ্গাইলের আলেয়া বেগম কিংবা কুমিল্লার মকবুল খানের মতো হাজারো রোগী এখন হাসপাতালের বারান্দায় যন্ত্রণায় ছটফট করছেন। সরকারি হাসপাতালে সল্পমূল্যে যে সেবা পাওয়ার কথা, তার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে গিয়ে অনেক রোগী বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫০০ শয্যার এই গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্রে রেডিওথেরাপির জন্য মাত্র একটি মেশিন সচল রয়েছে। অথচ প্রতিদিন কয়েকশ রোগী থেরাপির জন্য ভিড় করেন। সরকারিভাবে মাত্র ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকায় এই থেরাপি দেওয়া সম্ভব হলেও বেসরকারি হাসপাতালে এর খরচ প্রায় দুই লাখ টাকা, যা সাধারণ রোগীদের নাগালের বাইরে। সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে অনেকের রোগ এখন জটিল পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।
শুধু রেডিওথেরাপি নয়, সিটি স্ক্যান, এমআরআই এবং মেমোগ্রাফির মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতিও দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ে আছে। অপারেশন থিয়েটারে অ্যানেস্থেশিয়া মেশিনের সংকট এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রীর অভাবে ব্যাহত হচ্ছে অস্ত্রোপচার কার্যক্রম। জনবল সংকট আর দালালচক্রের দৌরাত্ম্যে দেশের একমাত্র বিশেষায়িত এই ক্যানসার হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম এখন কার্যত ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























