ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

লোহাগাড়ায় ভয়াবহ বন্যা: ৪৩ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি, পানিবন্দি হাজারো পরিবার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় টানা প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, উপজেলার ২৩ হাজার ৭৫০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ১৩টি খাতে মোট ৪৩ কোটি ৩৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকার সম্পদহানি ঘটেছে।

উপজেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ঘরবাড়ি, সড়ক, কৃষি, মৎস্য, বনাঞ্চল, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, বিদ্যুৎলাইন, গবাদিপশু, মাছের ঘের, ফসলি জমি, কালভার্ট এবং সেতু-ব্রিজসহ বিভিন্ন খাতে এই বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। টানা ছয় দিনের বৃষ্টিপাত এবং টঙ্কাবতী, ডলু ও হাঙর নদীর পানি বেড়ে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন, অনেকের ঘরবাড়ি ধসে যাওয়ায় তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চুনতি ইউনিয়নের আব্দুল গফুর জানান, ৪ জুলাই তার বাড়িতে পাহাড়ি ঢলের পানি ঢুকে সবকিছু ভেঙে দিয়েছে। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে পানির মধ্যেই বসবাস করছেন এবং রান্না করার পরিবেশ না থাকায় শুকনো খাবার খেয়ে দিন কাটছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাহিদ আহমেদ জাকির জানান, এ পর্যন্ত ত্রাণ হিসেবে ১ হাজার ৫ প্যাকেট শুকনো খাবার ও ৫০ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। তবে, আরো ১৫ টন চাল ও ১ হাজার ২০০ বান্ডিল টিনের জরুরি চাহিদা রয়েছে, যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও দানশীল ব্যক্তিরাও বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ২৭৮; আহত ১৬ হাজারেরও বেশি

লোহাগাড়ায় ভয়াবহ বন্যা: ৪৩ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি, পানিবন্দি হাজারো পরিবার

আপডেট সময় : ০৫:৩২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় টানা প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, উপজেলার ২৩ হাজার ৭৫০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ১৩টি খাতে মোট ৪৩ কোটি ৩৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকার সম্পদহানি ঘটেছে।

উপজেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ঘরবাড়ি, সড়ক, কৃষি, মৎস্য, বনাঞ্চল, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, বিদ্যুৎলাইন, গবাদিপশু, মাছের ঘের, ফসলি জমি, কালভার্ট এবং সেতু-ব্রিজসহ বিভিন্ন খাতে এই বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। টানা ছয় দিনের বৃষ্টিপাত এবং টঙ্কাবতী, ডলু ও হাঙর নদীর পানি বেড়ে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন, অনেকের ঘরবাড়ি ধসে যাওয়ায় তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চুনতি ইউনিয়নের আব্দুল গফুর জানান, ৪ জুলাই তার বাড়িতে পাহাড়ি ঢলের পানি ঢুকে সবকিছু ভেঙে দিয়েছে। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে পানির মধ্যেই বসবাস করছেন এবং রান্না করার পরিবেশ না থাকায় শুকনো খাবার খেয়ে দিন কাটছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাহিদ আহমেদ জাকির জানান, এ পর্যন্ত ত্রাণ হিসেবে ১ হাজার ৫ প্যাকেট শুকনো খাবার ও ৫০ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। তবে, আরো ১৫ টন চাল ও ১ হাজার ২০০ বান্ডিল টিনের জরুরি চাহিদা রয়েছে, যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও দানশীল ব্যক্তিরাও বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।