টানা বর্ষণে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ ভয়াবহ খানাখন্দে ভরে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় দুর্ঘটনার পাশাপাশি ছিনতাইয়ের আতঙ্কও বহুগুণে বেড়েছে, যা যাত্রী ও চালকদের মাঝে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
জানা গেছে, সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর সেতুর পূর্ব পাশ থেকে শুরু করে মদনপুর, লাঙ্গলবন্দ, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এবং মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় ১৪ কিলোমিটারের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির কারণে এসব গর্তে পানি জমে থাকায় চালকরা অনেক সময় গর্তের গভীরতা বুঝতে পারেন না, যার ফলে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।
কুমিল্লার তিশা পরিবহনের চালক শুক্কুর আলী জানান, দিনের বেলায় গর্তগুলো এড়িয়ে চলা গেলেও রাতে পথ চলতে অনেক সমস্যা হয়। প্রায়ই গাড়ির চাকা গর্তে আটকে গিয়ে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং গাড়ি বিকল হয়ে পড়ছে। এতে চালক ও যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছাচ্ছে। ট্যাক্সিচালক মনির হোসেন বলেন, “গাড়ির চাকা একবার গর্তে পড়লে নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। দায়সারাভাবে মেরামতকাজ করা হলে তো কার্পেটিং উঠে যাবেই। তার উপর আছে ছিনতাইকারীর উপদ্রব।”
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম জানান, টানা বৃষ্টির কারণে মহাসড়কে নতুন করে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া, মহাসড়কের পাশের ঘাস ও ঝোপঝাড় পানি নিষ্কাশনে বাধা দেওয়ায় রাস্তা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং এরই মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এক সপ্তাহের মধ্যেই সড়কটি চলাচলের জন্য ঝুঁকিমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রিপোর্টারের নাম 






















