বয়স ৩৫ পার হওয়ার পর অনেক নারীই অভিযোগ করেন যে, আগের মতো ডায়েট বা ব্যায়াম করেও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না। চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, এর প্রধান কারণ শুধু হজমশক্তি কমে যাওয়া নয়, বরং শরীর থেকে পেশি বা মাসল কমে যাওয়া। ৩৫ বছরের পর নারীদের শরীরে প্রাকৃতিকভাবেই পেশি ক্ষয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা প্রতিরোধ না করলে প্রতি দশকে শরীর থেকে প্রায় ৩ থেকে ৮ শতাংশ পেশি হারিয়ে যেতে পারে।
পেশি হলো শরীরের ক্যালরি পোড়ানোর প্রধান ইঞ্জিন। পেশি কমে গেলে শরীরের ‘রেস্টিং মেটাবলিক রেট’ হ্রাস পায়, ফলে বিশ্রামের সময়ও শরীর পর্যাপ্ত ক্যালরি পোড়াতে পারে না। এর সঙ্গে যুক্ত হয় হরমোনের পরিবর্তন। বিশেষ করে ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে যাওয়ায় শরীরে চর্বি জমার প্রবণতা বেড়ে যায়, যা মূলত পেটের অংশে বেশি দৃশ্যমান হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, পর্যাপ্ত প্রোটিনের অভাব এবং সঠিক ব্যায়ামের অভাবে শরীর চর্বি না পুড়িয়ে বরং পেশি ভেঙে শক্তি জোগাড় করে, যা শরীরকে আরও দুর্বল করে দেয়।
এই সমস্যা সমাধানে বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন রাখার পরামর্শ দেন। প্রতি কেজি ওজনের বিপরীতে অন্তত ০.৮ থেকে ১.২ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করা জরুরি। এছাড়া সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিন দিন হালকা ওজন তোলা বা পেশিবর্ধক ব্যায়াম করা, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত ঘুমানোর অভ্যাস করলে মেটাবলিজম ঠিক রাখা এবং ওজন কমানো সম্ভব।
রিপোর্টারের নাম 
























