ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

স্মৃতিতে অম্লান শহীদ আবু সাঈদ: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোদ্ধাদের আবেগঘন স্মরণ

বিপ্লবের স্মৃতিবিজড়িত জুলাই মাস ফিরে আসতেই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ক্যাম্পাসজুড়ে আবারও ধ্বনিত হচ্ছে শহীদ আবু সাঈদের নাম। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম এই শহীদের আত্মত্যাগের দুই বছর পূর্ণ হলেও সহপাঠী, শিক্ষক ও সহযোদ্ধাদের হৃদয়ে তিনি আজও চিরজাগরূক। ক্যাম্পাসের প্রতিটি ধূলিকণা যেন আজও সেই অকুতোভয় তরুণের সাহসিকতার সাক্ষ্য দিচ্ছে, যিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন।

আবু সাঈদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তার সহযোদ্ধারা জানান, তিনি শুধু একজন মেধাবী শিক্ষার্থীই ছিলেন না, বরং ছিলেন মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। ক্যাম্পাসের কৃষ্ণচূড়া তলা থেকে শুরু করে ইংরেজি বিভাগের করিডোর—সবখানেই যেন আবু সাঈদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি অনুভব করেন তারা। বিপদ-আপদে সবার আগে এগিয়ে আসা এবং অন্যের প্রয়োজনে রক্তদানসহ নানা সামাজিক ও মানবিক কাজে তিনি ছিলেন অগ্রগামী। জুলাই মাস এলেই তার অভাব আরও বেশি করে অনুভূত হয় সহযোদ্ধাদের হৃদয়ে।

বন্ধুদের মতে, আবু সাঈদ ছিলেন সাহসের প্রতীক এবং আপসহীন এক যোদ্ধা। তার আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি কোণে তার স্মৃতি আজও অম্লান। সহপাঠী শাকিল ও সুমনরা জানান, আবু সাঈদের সেই বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য আজও তাদের চোখে ভাসে, যা তাদের প্রতিনিয়ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার প্রেরণা জোগায়। শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে আবু সাঈদের আদর্শকে বুকে লালন করে এগিয়ে যেতে চায় বেরোবি শিক্ষার্থীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ের আচরণ ‘লজ্জাজনক’, ক্ষুব্ধ ফুটবল কিংবদন্তিরা

স্মৃতিতে অম্লান শহীদ আবু সাঈদ: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোদ্ধাদের আবেগঘন স্মরণ

আপডেট সময় : ১২:০১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

বিপ্লবের স্মৃতিবিজড়িত জুলাই মাস ফিরে আসতেই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ক্যাম্পাসজুড়ে আবারও ধ্বনিত হচ্ছে শহীদ আবু সাঈদের নাম। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম এই শহীদের আত্মত্যাগের দুই বছর পূর্ণ হলেও সহপাঠী, শিক্ষক ও সহযোদ্ধাদের হৃদয়ে তিনি আজও চিরজাগরূক। ক্যাম্পাসের প্রতিটি ধূলিকণা যেন আজও সেই অকুতোভয় তরুণের সাহসিকতার সাক্ষ্য দিচ্ছে, যিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন।

আবু সাঈদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তার সহযোদ্ধারা জানান, তিনি শুধু একজন মেধাবী শিক্ষার্থীই ছিলেন না, বরং ছিলেন মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। ক্যাম্পাসের কৃষ্ণচূড়া তলা থেকে শুরু করে ইংরেজি বিভাগের করিডোর—সবখানেই যেন আবু সাঈদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি অনুভব করেন তারা। বিপদ-আপদে সবার আগে এগিয়ে আসা এবং অন্যের প্রয়োজনে রক্তদানসহ নানা সামাজিক ও মানবিক কাজে তিনি ছিলেন অগ্রগামী। জুলাই মাস এলেই তার অভাব আরও বেশি করে অনুভূত হয় সহযোদ্ধাদের হৃদয়ে।

বন্ধুদের মতে, আবু সাঈদ ছিলেন সাহসের প্রতীক এবং আপসহীন এক যোদ্ধা। তার আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি কোণে তার স্মৃতি আজও অম্লান। সহপাঠী শাকিল ও সুমনরা জানান, আবু সাঈদের সেই বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য আজও তাদের চোখে ভাসে, যা তাদের প্রতিনিয়ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার প্রেরণা জোগায়। শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে আবু সাঈদের আদর্শকে বুকে লালন করে এগিয়ে যেতে চায় বেরোবি শিক্ষার্থীরা।