ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দের সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিতে কঠোর হওয়ার নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর

স্বাস্থ্য খাতে সরকারের বিনিয়োগের যথাযথ সুফল নিশ্চিত করতে পরিকল্পিত ব্যয় এবং জবাবদিহিতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, শুধু বিশাল অংকের টাকা বরাদ্দ দিলেই হবে না, বরং সেই অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি। সিলেটে এক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, বর্তমান বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে প্রায় ৬৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা মোট বাজেটের ৬ শতাংশ। সরকার ভবিষ্যতে এই খাত এবং শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করছে। তিনি আরও বলেন, অনেক সময় সঠিক পরিকল্পনার অভাবে এবং জনবল সংকটের কারণে নতুন নতুন ভবন নির্মিত হলেও মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পায় না। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন প্রয়োজন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন যেন অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষকে যেন চিকিৎসার জন্য নিজের পকেট থেকে অতিরিক্ত খরচ করতে না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নে নিয়মিত তদারকি এবং পর্যালোচনা সভা করার ওপরও তিনি বিশেষ জোর দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দুর্নীতি করলে বদলি নয়, সরাসরি চাকরিচ্যুতি’: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি

স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দের সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিতে কঠোর হওয়ার নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

স্বাস্থ্য খাতে সরকারের বিনিয়োগের যথাযথ সুফল নিশ্চিত করতে পরিকল্পিত ব্যয় এবং জবাবদিহিতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, শুধু বিশাল অংকের টাকা বরাদ্দ দিলেই হবে না, বরং সেই অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি। সিলেটে এক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, বর্তমান বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে প্রায় ৬৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা মোট বাজেটের ৬ শতাংশ। সরকার ভবিষ্যতে এই খাত এবং শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করছে। তিনি আরও বলেন, অনেক সময় সঠিক পরিকল্পনার অভাবে এবং জনবল সংকটের কারণে নতুন নতুন ভবন নির্মিত হলেও মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পায় না। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন প্রয়োজন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন যেন অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষকে যেন চিকিৎসার জন্য নিজের পকেট থেকে অতিরিক্ত খরচ করতে না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নে নিয়মিত তদারকি এবং পর্যালোচনা সভা করার ওপরও তিনি বিশেষ জোর দেন।