বাংলাদেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত তৈরি পোশাক শিল্পের রপ্তানি আয়ে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো প্রধান বাজারগুলোতে পোশাক রপ্তানির গতি উল্লেখযোগ্য হারে মন্থর হয়েছে। টানা কয়েক মাস মন্দার পর ঘুরে দাঁড়ানোর আশা থাকলেও বৈশ্বিক চাহিদার ঘাটতি এবং ক্রয়াদেশ কমে যাওয়ায় চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন দেশীয় উদ্যোক্তারা।
দেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয়ের প্রায় ৭০ শতাংশই নির্ভর করে পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর। ইইউর পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে ইইউ বাজারে শীর্ষ ১০ সরবরাহকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি সবচেয়ে বেশি কমেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত এই বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ১৪৬ কোটি ইউরো।
অর্থনীতিবিদদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ার পাশাপাশি প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি হ্রাসের হার বেশি হওয়া একটি বড় চিন্তার কারণ। এর ফলে দেশের শিল্প উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে একক মাস হিসেবে এপ্রিল মাসেও রপ্তানির পতন ছিল চোখে পড়ার মতো, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 






















