ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

ওসমানী মেডিকেলে নার্সিং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: বিক্ষোভ, তদন্ত কমিটি গঠন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে সুবিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে তারা হাসপাতাল পরিচালকের কাছে স্মারকলিপিও পেশ করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দুপুরে হাসপাতালের আউটডোর ভবনের নিচতলায় সার্জিক্যাল মাইনর অপারেশন থিয়েটারের ড্রেসিং রুমে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে অন্তত তিনজন ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থী আহত হন এবং ড্রেসিং রুমের কাচ ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

অভিযোগ উঠেছে, ওসমানী হাসপাতালে ইন্টার্ন ডিউটিরত বেসরকারি নার্সিং কলেজের দুই ছাত্রীর সঙ্গে হাসপাতালের আউটসোর্সিং স্টাফ ওয়ার্ড বয় জামাল ও অঞ্জন সরকার প্রায়শই অশোভন আচরণ ও উত্ত্যক্ত করতেন। এ বিষয়ে ওই ছাত্রীরা তাদের বেসরকারি নার্সিং কলেজের ইন্টার্ন অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন।

পরবর্তীতে ইন্টার্ন অ্যাসোসিয়েশনের ছাত্র মো. তাহমিদ ও প্রীতম রঞ্জন দাশের নেতৃত্বে প্রায় আটজন ছাত্র মাইনর ওটি’র ড্রেসিং রুমে গিয়ে নার্সিং স্টাফ মো. জাহাঙ্গীরের কাছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চান। কথাবার্তার একপর্যায়ে ওয়ার্ড বয় জামাল উত্তেজিত হয়ে উঠলে উভয়পক্ষের মধ্যে তুমুল হট্টগোল ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

এ বিষয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্টাফ নার্স ও বিএনএ সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমদ বলেন, “কোনো কিছু হলেই আগে নার্সদের ওপর হামলা হয়। এমন নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আমাদের কাজ করতে হয়। আমরা চাই ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক।”

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ বদরুল আমিন জানান, ঘটনার পরপরই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে মূল ঘটনা জানা যাবে। বর্তমানে হাসপাতালের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোতোয়ালি থানার ওসি খান মোহাম্মদ মাইনুল জাকির বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

মেসি ছাড়া কেইনের সমকক্ষ কেউ নেই: গর্ডন

ওসমানী মেডিকেলে নার্সিং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: বিক্ষোভ, তদন্ত কমিটি গঠন

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে সুবিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে তারা হাসপাতাল পরিচালকের কাছে স্মারকলিপিও পেশ করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দুপুরে হাসপাতালের আউটডোর ভবনের নিচতলায় সার্জিক্যাল মাইনর অপারেশন থিয়েটারের ড্রেসিং রুমে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে অন্তত তিনজন ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থী আহত হন এবং ড্রেসিং রুমের কাচ ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

অভিযোগ উঠেছে, ওসমানী হাসপাতালে ইন্টার্ন ডিউটিরত বেসরকারি নার্সিং কলেজের দুই ছাত্রীর সঙ্গে হাসপাতালের আউটসোর্সিং স্টাফ ওয়ার্ড বয় জামাল ও অঞ্জন সরকার প্রায়শই অশোভন আচরণ ও উত্ত্যক্ত করতেন। এ বিষয়ে ওই ছাত্রীরা তাদের বেসরকারি নার্সিং কলেজের ইন্টার্ন অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন।

পরবর্তীতে ইন্টার্ন অ্যাসোসিয়েশনের ছাত্র মো. তাহমিদ ও প্রীতম রঞ্জন দাশের নেতৃত্বে প্রায় আটজন ছাত্র মাইনর ওটি’র ড্রেসিং রুমে গিয়ে নার্সিং স্টাফ মো. জাহাঙ্গীরের কাছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চান। কথাবার্তার একপর্যায়ে ওয়ার্ড বয় জামাল উত্তেজিত হয়ে উঠলে উভয়পক্ষের মধ্যে তুমুল হট্টগোল ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

এ বিষয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্টাফ নার্স ও বিএনএ সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমদ বলেন, “কোনো কিছু হলেই আগে নার্সদের ওপর হামলা হয়। এমন নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আমাদের কাজ করতে হয়। আমরা চাই ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক।”

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ বদরুল আমিন জানান, ঘটনার পরপরই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে মূল ঘটনা জানা যাবে। বর্তমানে হাসপাতালের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোতোয়ালি থানার ওসি খান মোহাম্মদ মাইনুল জাকির বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।