‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে ‘জুলাই শহীদদের’ কবর জিয়ারত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতারা। মাসব্যাপী ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকিরের নেতৃত্বে রায়েরবাজার বধ্যভূমি কবরস্থানে গিয়ে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
পরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির বলেন, যাদের রক্তের ওপর দিয়ে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তাদের স্মরণে সরকারের কোনো কর্মসূচি না থাকা শুধু দুঃখজনক নয়, বরং পরিতাপের ও উদ্বেগের বিষয়। তিনি অভিযোগ করেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এর মাত্র দ্বিতীয় বার্ষিকীতে এসেও রাষ্ট্র এখনো এই আন্দোলনের স্বীকৃতি দিচ্ছে না বা শহীদদের স্মরণ করছে না।
আব্দুস সবুর ফকির আরও বলেন, সরকার যদি জুলাই চেতনাকে স্বীকার করত, তাহলে জুলাই-আগস্টের ৩৬ দিনের স্মরণে রাষ্ট্রীয়ভাবে কর্মসূচি ঘোষণা করত। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন, রেডিও কিংবা সংবাদ সংস্থাগুলোতেও জুলাইয়ের স্মৃতি নিয়ে কোনো তথ্যচিত্র বা ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ কর্তৃক পরিচালিত গণহত্যার চিত্র প্রকাশ করা হচ্ছে না, অথচ ২০২৪ সালের ৩৬ দিনের ঘটনার সব তথ্যই রাষ্ট্রের কাছে রয়েছে।
তিনি জনমনে সংশয় সৃষ্টির কথা উল্লেখ করে বলেন, সরকার ৩৬ দিনের সব তথ্য মুছে দিয়ে পতিত পরাশক্তি আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক স্পেস তৈরি করে দেওয়ার পথে হাঁটছে। যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো সম্মান করা হচ্ছে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে স্বীকার করেছেন যে একটি প্রতারণার মাধ্যমে বিএনপি ‘জুলাই সনদে’ স্বাক্ষর করেছে।
জামায়াত নেতা অভিযোগ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে জুলাইয়ের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তারা রাষ্ট্র সংস্কার চায় না, গণহত্যার বিচারও চায় না। তবে জুলাইকে উপেক্ষা করে পার পাওয়া যাবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রিপোর্টারের নাম 
























