ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা খামেনির জানাজায় ব্যাপক জনসমাগমের আহ্বান স্পিকারের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা অনুষ্ঠানে ব্যাপক জনসমাগমের জন্য দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের গালিবাফ ইরানি জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘জানাজা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে দেশের ইতিহাসে একটি গৌরবময় অধ্যায় রচনার জন্য আমি ইরানি জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি।’

স্পিকার আরও বলেন, ‘জাতির প্রতিশোধের ডাক যেন পুরো বিশ্বের কানে পৌঁছে যায়।’ তার এই আহ্বান চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

এক দশক আগে ইসলামি বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারী আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সাল থেকে খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আগামী ৪ থেকে ৯ জুলাই জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। এই দাফন অনুষ্ঠানকে ঘিরে দেশটিতে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ শহীদদের স্মরণে সরকারি উদাসীনতা দুঃখজনক: জামায়াত নেতা

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা খামেনির জানাজায় ব্যাপক জনসমাগমের আহ্বান স্পিকারের

আপডেট সময় : ০৪:১৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা অনুষ্ঠানে ব্যাপক জনসমাগমের জন্য দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের গালিবাফ ইরানি জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘জানাজা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে দেশের ইতিহাসে একটি গৌরবময় অধ্যায় রচনার জন্য আমি ইরানি জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি।’

স্পিকার আরও বলেন, ‘জাতির প্রতিশোধের ডাক যেন পুরো বিশ্বের কানে পৌঁছে যায়।’ তার এই আহ্বান চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

এক দশক আগে ইসলামি বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারী আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সাল থেকে খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আগামী ৪ থেকে ৯ জুলাই জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। এই দাফন অনুষ্ঠানকে ঘিরে দেশটিতে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।