ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

শিক্ষা সংস্কারেই স্বনির্ভর বাংলাদেশের ভিত্তি: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কারই আগামী দিনের সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার মৌলিক ভিত্তি হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক, সুনাগরিক, যোগ্য ও বিশ্ব নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশে জিপিই সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট (এসটিজি) এবং মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্টের’ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (জিপিই), ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, এডিবি, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ড. মাহ্দী আমিন আনন্দের সাথে জানান, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতায় বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ৯৮.৮৫ মিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল অনুদান নিশ্চিত হয়েছে। তিনি বলেন, এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক করা সম্ভব হবে।

শিক্ষা উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শিক্ষার্থীর মেধার বিকাশ ও সুপ্ত প্রতিভাকে জাগিয়ে তুলতে শিক্ষাক্রমের আধুনিকায়নের কাজ চলছে। মুখস্থ বিদ্যার চাপ কমিয়ে শিক্ষাকে আনন্দময় করতে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ‘সংস্কৃতি’ ও ‘ক্রীড়া’—এই দুটি বিষয়কে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়াও, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কারিগরি, বৃত্তিমূলক ও ভাষাগত দক্ষতার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষকদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের কাণ্ডারী শিক্ষার্থীদের যারা তৈরি করেন, সেই শিক্ষকদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের উন্নয়ন সবচেয়ে জরুরি। শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগত সক্ষমতা বাড়াতে এই অনুদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করতে সরকারের বড় পরিকল্পনা রয়েছে এবং দেশের সব অঞ্চলের প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন একই মানের পোশাক ও একই স্কুল ব্যাগ নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারে, সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত প্রায় ২৫ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৭

শিক্ষা সংস্কারেই স্বনির্ভর বাংলাদেশের ভিত্তি: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৫:১৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কারই আগামী দিনের সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার মৌলিক ভিত্তি হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক, সুনাগরিক, যোগ্য ও বিশ্ব নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশে জিপিই সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট (এসটিজি) এবং মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্টের’ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (জিপিই), ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, এডিবি, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ড. মাহ্দী আমিন আনন্দের সাথে জানান, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতায় বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ৯৮.৮৫ মিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল অনুদান নিশ্চিত হয়েছে। তিনি বলেন, এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক করা সম্ভব হবে।

শিক্ষা উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শিক্ষার্থীর মেধার বিকাশ ও সুপ্ত প্রতিভাকে জাগিয়ে তুলতে শিক্ষাক্রমের আধুনিকায়নের কাজ চলছে। মুখস্থ বিদ্যার চাপ কমিয়ে শিক্ষাকে আনন্দময় করতে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ‘সংস্কৃতি’ ও ‘ক্রীড়া’—এই দুটি বিষয়কে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়াও, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কারিগরি, বৃত্তিমূলক ও ভাষাগত দক্ষতার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষকদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের কাণ্ডারী শিক্ষার্থীদের যারা তৈরি করেন, সেই শিক্ষকদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের উন্নয়ন সবচেয়ে জরুরি। শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগত সক্ষমতা বাড়াতে এই অনুদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করতে সরকারের বড় পরিকল্পনা রয়েছে এবং দেশের সব অঞ্চলের প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন একই মানের পোশাক ও একই স্কুল ব্যাগ নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারে, সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।