আমাদের মানসিক প্রশান্তি হঠাৎ কোনো বড় ঘটনার ওপর নয়, বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। ঘুমের অভাব মানুষকে খিটখিটে, উদ্বিগ্ন ও অতিরিক্ত চিন্তিত করে তোলে। তাই প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করা এবং ঘুমানোর ঘরটি শান্ত ও পরিষ্কার রাখা জরুরি।
বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার আমাদের মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অন্যের কৃত্রিম জীবনের চাকচিক্য দেখে নিজের জীবনের ওপর অসন্তুষ্টি তৈরি হওয়া মানসিক অস্থিরতার অন্যতম কারণ। তাই ভার্চুয়াল জগতের সময় কমিয়ে পরিবার, বই বা সৃজনশীল কাজে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রিয়জন ও বন্ধুদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং আড্ডা একাকীত্ব ও মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
শারীরিক সক্রিয়তাও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত হাঁটাচলা বা হালকা ব্যায়াম মস্তিষ্কে ‘ফিল-গুড’ হরমোন নিঃসরণ করে, যা মনকে সতেজ রাখে। এছাড়া প্রতিদিনের কাজের ফাঁকে নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখা, প্রচুর পানি পান করা এবং স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের মতো সাধারণ অভ্যাসগুলো আমাদের দীর্ঘমেয়াদী মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 

























