ঢাকা ০৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

মালদ্বীপ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: সরাসরি রুফিয়াতে রেমিট্যান্স পাঠানোর উদ্যোগ

মালদ্বীপে অবস্থানরত বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ ও সাশ্রয়ী করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। এখন থেকে মালদ্বীপের স্থানীয় মুদ্রা ‘রুফিয়া’ সরাসরি বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে, যা প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব করবে।

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সম্প্রতি ব্যাংক অব মালদ্বীপের (বিএমএল) প্রধান কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম এবং ব্যাংকটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরীফ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানো এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বর্তমানে প্রবাসীদের অর্থ পাঠাতে যে জটিলতা বা বাড়তি খরচ হয়, সরাসরি লেনদেন চালু হলে তা অনেকাংশে কমে আসবে। হাইকমিশনার জানান, এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে প্রবাসীরা দ্রুত ও নিরাপদে দেশে টাকা পাঠাতে পারবেন, যা দুই দেশের ব্যাংকিং খাতের সম্পর্ককেও শক্তিশালী করবে। এছাড়া ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে ঋণসুবিধা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের মডেলে ঢেলে সাজানো হবে প্রাথমিক শিক্ষা: ববি হাজ্জাজ

মালদ্বীপ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: সরাসরি রুফিয়াতে রেমিট্যান্স পাঠানোর উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০২:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

মালদ্বীপে অবস্থানরত বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ ও সাশ্রয়ী করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। এখন থেকে মালদ্বীপের স্থানীয় মুদ্রা ‘রুফিয়া’ সরাসরি বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে, যা প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব করবে।

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সম্প্রতি ব্যাংক অব মালদ্বীপের (বিএমএল) প্রধান কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম এবং ব্যাংকটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরীফ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানো এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বর্তমানে প্রবাসীদের অর্থ পাঠাতে যে জটিলতা বা বাড়তি খরচ হয়, সরাসরি লেনদেন চালু হলে তা অনেকাংশে কমে আসবে। হাইকমিশনার জানান, এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে প্রবাসীরা দ্রুত ও নিরাপদে দেশে টাকা পাঠাতে পারবেন, যা দুই দেশের ব্যাংকিং খাতের সম্পর্ককেও শক্তিশালী করবে। এছাড়া ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে ঋণসুবিধা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।