ফ্যাশনের জগতে নিত্যনতুন পরিবর্তন আসছে, আর ঈদের আনন্দ পূর্ণতা পায় আধুনিক পোশাকের অনুষঙ্গে। এই সময়ে সবাই চায় অন্যদের চেয়ে আলাদাভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে, আর ফ্যাশনের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম নেই। কামিজের বৈচিত্র্যময় কাটিং প্যাটার্নের পাশাপাশি সালোয়ারের কাটেও চলছে নানা ধরনের নিরীক্ষা। এবারের আয়োজনে থাকছে সালোয়ারের কয়েকটি জনপ্রিয় কাট।
বর্তমানে নিউ মার্কেট, মিরপুর, ফার্মগেট এবং বসুন্ধরা শপিং মলে পালাজ্জোর নানা নকশা ও আকৃতির সমাহার দেখা যাচ্ছে। কোনোটি প্যান্টের মতো সমান্তরাল, কোনোটি স্কার্টের মতো ছড়ানো, আবার কোনোটি চাপা প্যান্টের মতো সরু ও সমান। দর্জি দিয়ে নিজের পছন্দমতো তৈরি করিয়ে নেওয়াও এখন সহজ।
পালাজ্জোর মতো অতখানি না হলেও ডিভাইডার খানিকটা ঢোলা এবং লম্বা শেপের হয়। এটি উপরে ও নিচে দুদিকেই সমানভাবে ঢিলেঢালা রাখা হয়। গোড়ালি থেকে একটু নিচে বা বরাবর পরা হয় ডিভাইডার। নিচের অংশে লেস বা এমব্রয়ডারি করে এতে বৈচিত্র্য আনা হচ্ছে।
বাটন প্যান্টে উপরে ও নিচে দুদিকেই চাপা থাকে এবং গোড়ালি থেকে একটু ওপরে এর দৈর্ঘ্য হয়। গোড়ালির কাছে বোতাম দিয়ে ডিজাইন করা হয়, যা ব্যবহারে সুবিধা এবং সৌন্দর্য দুটোই বাড়ায়। সাধারণত ফেব্রিকসের বোতাম বেশি ব্যবহার হলেও, জমকালো ভাবের জন্য এখন পার্ল বা স্টোনের বোতামও ব্যবহৃত হচ্ছে।
ধুতি সালোয়ারে কুঁচির ভাঁজে ভাঁজে এক বিশেষ সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। কোমরের নিচ থেকে ভাঁজের লেয়ার শুরু হয়ে ক্রমান্বয়ে গোড়ালিতে এসে চাপা হয়ে আসে। অন্য যেকোনো সালোয়ারের চেয়ে ধুতিতে বেশি কাপড় লাগে এবং এর জন্য একটু নরম বা লিলেন কাপড় বেছে নেওয়া ভালো।
সিগারেট প্যান্টে ওপরের দিকটি একটু ঢিলে থাকে এবং নিচের অংশটি ওপরের চেয়ে চওড়া হয়। এই চওড়া মুহুরির অংশে বিভিন্নভাবে নকশা করা হয়। এই প্যান্টও গোড়ালির উপরে পরা হয়। সিগারেট প্যান্টের জন্য একটু মোটা কাপড় ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
রিপোর্টারের নাম 

























