ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

বেবিচক সদস্যের স্বাক্ষর জাল করে বড় জালিয়াতির চেষ্টা, থানায় মামলা

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমানের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া চুক্তিনামা ও সম্মতিপত্র তৈরির অভিযোগে রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই জালিয়াতির মাধ্যমে একটি স্বার্থান্বেষী মহল বড় ধরনের অনৈতিক সুবিধা হাসিলের চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, এস এম লাবলুর রহমানকে প্রথম পক্ষ এবং ফাহাদ হোসেন নামক এক ব্যক্তিকে দ্বিতীয় পক্ষ দেখিয়ে একটি ভুয়া চুক্তিনামা তৈরি করা হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয় যে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পাইয়ে দিলে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ লেনদেন করা হবে। এই নথিতে লাবলুর রহমানের স্বাক্ষর সুকৌশলে জাল করা হয়েছে। এছাড়া তার নামে একটি পৃথক ভুয়া সম্মতিপত্রও তৈরি করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় নিজের পেশাগত মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কায় আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন বেবিচক সদস্য। এস এম লাবলুর রহমান বলেন, ‘একটি কুচক্রী মহল আমাকে হেয় করতে এবং অনৈতিক ফায়দা লুটতে এই ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে। আমি কখনোই এমন কোনো অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারি না।’ পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পুলিশ আসবে না, নিশ্চিন্তে থাকুন’—বাংলাদেশির ভিডিও ঘিরে গ্রিক গণমাধ্যমে আলোচনা

বেবিচক সদস্যের স্বাক্ষর জাল করে বড় জালিয়াতির চেষ্টা, থানায় মামলা

আপডেট সময় : ০১:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমানের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া চুক্তিনামা ও সম্মতিপত্র তৈরির অভিযোগে রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই জালিয়াতির মাধ্যমে একটি স্বার্থান্বেষী মহল বড় ধরনের অনৈতিক সুবিধা হাসিলের চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, এস এম লাবলুর রহমানকে প্রথম পক্ষ এবং ফাহাদ হোসেন নামক এক ব্যক্তিকে দ্বিতীয় পক্ষ দেখিয়ে একটি ভুয়া চুক্তিনামা তৈরি করা হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয় যে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পাইয়ে দিলে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ লেনদেন করা হবে। এই নথিতে লাবলুর রহমানের স্বাক্ষর সুকৌশলে জাল করা হয়েছে। এছাড়া তার নামে একটি পৃথক ভুয়া সম্মতিপত্রও তৈরি করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় নিজের পেশাগত মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কায় আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন বেবিচক সদস্য। এস এম লাবলুর রহমান বলেন, ‘একটি কুচক্রী মহল আমাকে হেয় করতে এবং অনৈতিক ফায়দা লুটতে এই ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে। আমি কখনোই এমন কোনো অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারি না।’ পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে।