ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

ব্রেক্সিট নিয়ে হতাশ ব্রিটিশ তরুণেরা, বড় অংশই ফিরতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়নে

২০১৬ সালের ঐতিহাসিক গণভোটে অংশ নিতে না পারা ব্রিটিশ তরুণদের একটি বিশাল অংশ এখন ব্রেক্সিটকে একটি ব্যর্থ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছে। সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, জেন-জি প্রজন্মের প্রতি পাঁচজনের মধ্যে তিনজনই পুনরায় ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগ দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।

থিংকট্যাংক ‘মোর ইন কমন’ পরিচালিত এই জরিপে ১৮ থেকে ২৮ বছর বয়সী ব্রিটিশ তরুণদের মনোভাব উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, ৬০ শতাংশ তরুণ সুযোগ পেলে আবারও ইইউ-তে ফেরার পক্ষে ভোট দেবেন। বিপরীতে মাত্র ৯ শতাংশ বর্তমান অবস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। যারা ভোট দেওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত, তাদের মধ্যে এই হার আরও বেশি—প্রায় ৮১ শতাংশই ইইউ-তে ফেরার পক্ষপাতী।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের অর্ধেকই মনে করেন ব্রেক্সিট একটি ব্যর্থ প্রকল্প। তবে এই ব্যর্থতার পেছনে অনেকে শুরু থেকেই ধারণাগত ত্রুটির চেয়ে রাজনীতিবিদদের অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনাকে বেশি দায়ী করছেন। যদিও তারা নীতিগতভাবে ইইউ-তে ফেরার কথা বলছেন, তবুও নতুন করে দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক বিতর্কে জড়ানোর চেয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, সাশ্রয়ী আবাসন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন এই তরুণেরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের মডেলে ঢেলে সাজানো হবে প্রাথমিক শিক্ষা: ববি হাজ্জাজ

ব্রেক্সিট নিয়ে হতাশ ব্রিটিশ তরুণেরা, বড় অংশই ফিরতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়নে

আপডেট সময় : ০২:৫০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

২০১৬ সালের ঐতিহাসিক গণভোটে অংশ নিতে না পারা ব্রিটিশ তরুণদের একটি বিশাল অংশ এখন ব্রেক্সিটকে একটি ব্যর্থ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছে। সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, জেন-জি প্রজন্মের প্রতি পাঁচজনের মধ্যে তিনজনই পুনরায় ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগ দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।

থিংকট্যাংক ‘মোর ইন কমন’ পরিচালিত এই জরিপে ১৮ থেকে ২৮ বছর বয়সী ব্রিটিশ তরুণদের মনোভাব উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, ৬০ শতাংশ তরুণ সুযোগ পেলে আবারও ইইউ-তে ফেরার পক্ষে ভোট দেবেন। বিপরীতে মাত্র ৯ শতাংশ বর্তমান অবস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। যারা ভোট দেওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত, তাদের মধ্যে এই হার আরও বেশি—প্রায় ৮১ শতাংশই ইইউ-তে ফেরার পক্ষপাতী।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের অর্ধেকই মনে করেন ব্রেক্সিট একটি ব্যর্থ প্রকল্প। তবে এই ব্যর্থতার পেছনে অনেকে শুরু থেকেই ধারণাগত ত্রুটির চেয়ে রাজনীতিবিদদের অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনাকে বেশি দায়ী করছেন। যদিও তারা নীতিগতভাবে ইইউ-তে ফেরার কথা বলছেন, তবুও নতুন করে দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক বিতর্কে জড়ানোর চেয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, সাশ্রয়ী আবাসন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন এই তরুণেরা।