সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারের টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রটি দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ২০০৫ সালে দুই দফা ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে এই খনিটি বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘ ২১ বছর পার হলেও এটি সচল করার কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও রহস্য দানা বাঁধছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গ্যাসক্ষেত্রটি পরিত্যক্ত ফেলে রাখায় প্রতিবেশী দেশ ভারত লাভবান হতে পারে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে টেংরাটিলা থেকে ভারতীয় সীমান্ত মাত্র ৭-১০ কিলোমিটার দূরে। খনিজ বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, ‘ড্রেনেজ ইফেক্ট’-এর ফলে বাংলাদেশের ভূগর্ভস্থ গ্যাস ভারতের সীমানায় চলে যেতে পারে। কারণ মাটির নিচের গ্যাস আধারের কোনো নির্দিষ্ট সীমারেখা থাকে না। একদিকের খনি বন্ধ রেখে অন্য পাশে উত্তোলন চালালে প্রাকৃতিক নিয়মেই গ্যাস সেদিকে ধাবিত হয়।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের দুর্ঘটনার পর কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর বিরুদ্ধে মামলা হয়। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক আদালত ‘ইকসিড’ বাংলাদেশকে বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার রায় দিলেও খনিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে রাষ্ট্র এখনো নির্বিকার। ফলে দেশের অন্যতম বৃহত্তম এই প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছেই।
রিপোর্টারের নাম 
























