ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

নাতি হওয়ার খুশিতে ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে ৩ হাজার মিষ্টি বিতরণ করলেন নানা

নাটোরের সিংড়ায় নাতি হওয়ার আনন্দে এক ব্যতিক্রমী উৎসবের আয়োজন করেছেন মো. হান্নান নামে এক ব্যক্তি। নিজের কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় নাতি জন্মের খুশিতে তিনি পুরো গ্রামে ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং গ্রামবাসীদের মাঝে ৩ হাজার পিস মিষ্টি বিতরণ করেন। বুধবার উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের জোরমল্লিকা গ্রামে এই উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হান্নানের একমাত্র মেয়ে পান্না খাতুনের বিয়ের দীর্ঘ ১২ বছর পর এই পুত্রসন্তান জন্ম নেয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নাতির আগমনে নানা হান্নান অত্যন্ত আনন্দিত। সাত মাস বয়সী নাতি আব্দুর রহমান বিন মুসালিনকে নিয়ে তিনি ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে নিজ গ্রাম থেকে জামাতার বাড়ি শাহবাজপুর পর্যন্ত শোভাযাত্রা করেন। এ সময় বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে স্বজন ও গ্রামবাসীরা নেচে-গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন।

গ্রামবাসীরা জানান, এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন এলাকায় আগে কখনো দেখা যায়নি। শিশুর মা পান্না খাতুন জানান, দীর্ঘ সময় পর ছেলেসন্তান হওয়ায় তার বাবা এই খুশির আয়োজন করেছেন। নানা হান্নান বলেন, মহান আল্লাহ তার মনের আশা পূরণ করেছেন, তাই তিনি এই আনন্দ সবার সাথে ভাগ করে নিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের মডেলে ঢেলে সাজানো হবে প্রাথমিক শিক্ষা: ববি হাজ্জাজ

নাতি হওয়ার খুশিতে ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে ৩ হাজার মিষ্টি বিতরণ করলেন নানা

আপডেট সময় : ০২:৪৮:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

নাটোরের সিংড়ায় নাতি হওয়ার আনন্দে এক ব্যতিক্রমী উৎসবের আয়োজন করেছেন মো. হান্নান নামে এক ব্যক্তি। নিজের কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় নাতি জন্মের খুশিতে তিনি পুরো গ্রামে ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং গ্রামবাসীদের মাঝে ৩ হাজার পিস মিষ্টি বিতরণ করেন। বুধবার উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের জোরমল্লিকা গ্রামে এই উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হান্নানের একমাত্র মেয়ে পান্না খাতুনের বিয়ের দীর্ঘ ১২ বছর পর এই পুত্রসন্তান জন্ম নেয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নাতির আগমনে নানা হান্নান অত্যন্ত আনন্দিত। সাত মাস বয়সী নাতি আব্দুর রহমান বিন মুসালিনকে নিয়ে তিনি ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে নিজ গ্রাম থেকে জামাতার বাড়ি শাহবাজপুর পর্যন্ত শোভাযাত্রা করেন। এ সময় বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে স্বজন ও গ্রামবাসীরা নেচে-গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন।

গ্রামবাসীরা জানান, এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন এলাকায় আগে কখনো দেখা যায়নি। শিশুর মা পান্না খাতুন জানান, দীর্ঘ সময় পর ছেলেসন্তান হওয়ায় তার বাবা এই খুশির আয়োজন করেছেন। নানা হান্নান বলেন, মহান আল্লাহ তার মনের আশা পূরণ করেছেন, তাই তিনি এই আনন্দ সবার সাথে ভাগ করে নিয়েছেন।