উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর অতিবৃষ্টিতে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লালমনিরহাটের চরাঞ্চলে তীব্র খাদ্য ও কর্মসংস্থান সংকট দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বন্যার সময় সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ মিললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। তাই এবার তিস্তাপাড়ের মানুষের কণ্ঠে ত্রাণের বদলে স্থায়ী কর্মসংস্থানের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের গেট খুলে দেওয়ার ফলে হঠাৎ করেই বাংলাদেশে পানি ঢুকে ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি তলিয়ে যায়। মঙ্গলবার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও বুধবার সকালে তা কিছুটা কমেছে, তবে বন্যার আশঙ্কা এখনো কাটেনি। বন্যায় রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং স্বাভাবিক কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
তিস্তাপাড়ের বাসিন্দারা বলছেন, শুধু কয়েক কেজি চাল বা শুকনো খাবার দিয়ে তাদের সারা বছরের অভাব দূর হয় না। বারবার নদীভাঙন ও বন্যার কবলে পড়ে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন। তাই তারা ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল না থেকে কাজ করে বাঁচার নিশ্চয়তা চান। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, উজানের ঢলের কারণে ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ এখনো ওঠানামা করছে, যা স্থানীয়দের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























