সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমাজের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব পালন অপরিহার্য। তিনি বলেন, নির্যাতন পুরুষ বা নারী যেই হোক না কেন, সকলের ক্ষেত্রে সমানভাবে নিন্দনীয়।
শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের আনোয়ারা বেগম-মুনিরা খান মিলনায়তনে ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে মন্ত্রী এই আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। দেশে আইনের কোনো অভাব নেই, বরং আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং সামাজিক মানসিকতার পরিবর্তনই মূল চ্যালেঞ্জ। নারী ও শিশুর অধিকার সুরক্ষায় সরকার, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং সাধারণ জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
সংলাপে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেমের সভাপতিত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ, বিশিষ্ট কলামিস্ট মফিদুল হক, ডিএমপি’র উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের উপ-পুলিশ কমিশনার মোছা. লিজা বেগমসহ আরও অনেক বিশিষ্টজন বক্তব্য রাখেন। বক্তারা মামলার তদন্তে বিলম্ব, অপর্যাপ্ত প্রমাণ এবং সাক্ষীর অভাবে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা বৃদ্ধির উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা প্রচলিত আইনের সীমাবদ্ধতা, বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং সামাজিক অস্থিতিশীলতাকে মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার অবনতির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন। মন্ত্রী এই সমস্যা সমাধানে বিদ্যমান আইনের ব্যাপক প্রচার ও যথাযথ বাস্তবায়ন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার সরকারি উদ্যোগের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























