দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষকদের অনস্বীকার্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ প্রবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার বিকেলে রাজধানীর কেআইবি মিলনায়তনে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ-এর ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ও ইতিবাচক খাত। স্বাধীনতার পর থেকে কৃষি খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রত্যাশিত উন্নয়ন ঘটেনি। তিনি কৃষকদের নিরলস পরিশ্রম ও অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, কৃষকদের সম্মান ও প্রণোদনা বৃদ্ধি করা সময়ের দাবি। নিজের কৃষক পরিবারের সন্তান হিসেবে কৃষকদের জীবন-সংগ্রামের সঙ্গে তিনি গভীরভাবে পরিচিত বলেও উল্লেখ করেন।
ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক কৃষি ও জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন কর্মসূচি, যেমন ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড চালু এবং খাল খননের মতো উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, স্বল্প বেতনে কর্মরত ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের জীবনযাত্রার বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে তাদের নিজ নিজ জেলায় পদায়নের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যাতে তারা আরও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু উপস্থিত ছিলেন। সভায় দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন, কৃষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি, কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদারকরণ এবং ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের পেশাগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 



















