ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্প্রতি শুরু হওয়া উত্তেজনা মাত্র ১৫ ঘণ্টার ব্যবধানে স্তিমিত হয়ে আসায় মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই সংঘাতকে নিজের রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলেও নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপে তাকে পিছু হটতে হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই সংক্ষিপ্ত যুদ্ধ ইসরায়েলকে এই বার্তাই দিয়েছে যে, তারা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরশীল।
বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহু আশা করেছিলেন ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলা চালিয়ে ট্রাম্পের সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নসাৎ করবেন। কিন্তু মার্কিন প্রশাসনের কড়া বার্তা এবং পরবর্তী পরিকল্পিত হামলা থেকে ইসরায়েলের পিছিয়ে আসা প্রমাণ করে যে, পরিস্থিতি আর তাদের একক নিয়ন্ত্রণে নেই। অন্যদিকে, ইরানও কৌশলগতভাবে সফল হয়েছে। তারা বুঝিয়ে দিয়েছে যে, লেবাননের হিজবুল্লাহর ওপর হামলা হলে তারা সরাসরি ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে দ্বিধা করবে না।
আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের বর্তমান সরকার ট্রাম্পের যুদ্ধবিরোধী অবস্থানের সুযোগ নিচ্ছে। ইরান বুঝতে পেরেছে যে ট্রাম্প এই মুহূর্তে নতুন কোনো যুদ্ধে জড়াতে চান না, যার ফলে ইরান ও হিজবুল্লাহর মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা বলয় আরও শক্তিশালী করার ঝুঁকি তারা নিতেই পারে। এই পরিস্থিতি ইসরায়েলের জন্য ভবিষ্যতে এক কঠিন প্রতিরক্ষা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
রিপোর্টারের নাম 























