ইসরায়েলের সঙ্গে একটি রূপরেখা চুক্তি এগিয়ে নিতে চলতি জুলাই মাসের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে যাচ্ছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সম্প্রতি দুই নেতার মধ্যে ১৭ মিনিটের একটি ফলপ্রসূ ফোনালাপের পর এই সফরের প্রস্তুতি শুরু হয়।
লেবাননের দৈনিক আন-নাহারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট আউন এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি স্বীকার করেন, ইসরায়েলের সঙ্গে প্রস্তাবিত চুক্তিটি ‘আদর্শ’ কোনো চুক্তি নয়। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা এবং দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের বর্তমান সামরিক শক্তির ভারসাম্য বিবেচনায় এই চুক্তি মেনে নিতে হয়েছে। আউন স্পষ্ট করে বলেন, এটি ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি নয়, বরং একটি রূপরেখা মাত্র। তিনি লেবাননের সেনাবাহিনীর বিভাজন নিয়ে কোনো বাজি ধরতে রাজি নন এবং তার জনগণকে মরতে দেবেন না বলেও উল্লেখ করেন।
প্রেসিডেন্ট আউন আরও জানান, এই চুক্তি লেবাননের অধিকার রক্ষা এবং দখলকৃত ভূখণ্ড ফিরে পাওয়ার লড়াইকে থামিয়ে দেবে না। পর্যায়ক্রমিক নিরাপত্তা পরিবর্তন প্রক্রিয়াটি নাবাতিহ জেলার জাওতার এলাকায় একটি পরীক্ষামূলক মোতায়েনের মাধ্যমে শুরু হবে। এই মডেলের অধীনে লেবাননের সেনাবাহিনী নির্দিষ্ট কিছু শহরের একক নিয়ন্ত্রণ নেবে, যা ইসরায়েলি বাহিনীকে পর্যায়ক্রমে সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে উৎসাহিত করবে। তবে, নিকটবর্তী আলি আল-তাহের পাহাড়ে ইসরায়েলি হামলার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
আউন বলেন, লেবাননের কর্মকর্তারা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে অনুরোধ করেছেন যেন ওই পাহাড়টি লেবানন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণেই থাকে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই প্রস্তাবে সম্মত হয়েছেন বলেও তিনি জানান। এছাড়াও, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় লেবাননের একজন মন্ত্রীকে পাঠানোর সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গেয়ে আউন বলেন, ইরানের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক অব্যাহত আছে এবং তা বিচ্ছিন্ন হয়নি।
রিপোর্টারের নাম 























