ঢাকা ১১:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

তেহরান থেকে খামেনির কফিন নেওয়া হলো পবিত্র শহর কওমে

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ রাজধানী তেহরান থেকে দেশটির ধর্মীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শহর কওমে স্থানান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার সেখানে তার শেষ বিদায়ের উদ্দেশ্যে বিশেষ শোকমিছিল ও জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা গেছে, একটি হেলিকপ্টারে করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তার কফিন কওমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এর আগে টানা তিন দিন ধরে রাজধানী তেহরানের রাজপথে খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষের ঢল নামে। ১৯৮৯ সালে বিপ্লবী নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজার পর ইরানে এটিই সবচেয়ে বড় জনসমাগম বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দেশটির শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতারাও এই শোকযাত্রায় শরিক হন।

শোক মিছিলের সময় খামেনির মরদেহের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত তার পরিবারের অন্য চার সদস্যের কফিনও বহন করা হয়। কালো পোশাক পরিহিত শোকার্ত জনতা কফিনের ওপর ফুল ছিটিয়ে তাদের প্রিয় নেতার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। নিহতদের মধ্যে খামেনির মাত্র ১৪ মাস বয়সী এক নাতনিও ছিল, যার মৃত্যুতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক শোকের ছায়া নেমে আসে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে সংখ্যালঘুদের অস্তিত্বের সংকট ও উগ্র হিন্দুত্ববাদের উত্থান: নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন

তেহরান থেকে খামেনির কফিন নেওয়া হলো পবিত্র শহর কওমে

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ রাজধানী তেহরান থেকে দেশটির ধর্মীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শহর কওমে স্থানান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার সেখানে তার শেষ বিদায়ের উদ্দেশ্যে বিশেষ শোকমিছিল ও জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা গেছে, একটি হেলিকপ্টারে করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তার কফিন কওমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এর আগে টানা তিন দিন ধরে রাজধানী তেহরানের রাজপথে খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষের ঢল নামে। ১৯৮৯ সালে বিপ্লবী নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজার পর ইরানে এটিই সবচেয়ে বড় জনসমাগম বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দেশটির শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতারাও এই শোকযাত্রায় শরিক হন।

শোক মিছিলের সময় খামেনির মরদেহের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত তার পরিবারের অন্য চার সদস্যের কফিনও বহন করা হয়। কালো পোশাক পরিহিত শোকার্ত জনতা কফিনের ওপর ফুল ছিটিয়ে তাদের প্রিয় নেতার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। নিহতদের মধ্যে খামেনির মাত্র ১৪ মাস বয়সী এক নাতনিও ছিল, যার মৃত্যুতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক শোকের ছায়া নেমে আসে।