লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে ইরানের সাম্প্রতিক প্রতিশোধমূলক হামলা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ মনে হলেও বিশ্লেষকরা একে তেহরানের নতুন শাসকদের আক্রমণাত্মক কৌশলগত পরিবর্তনের অংশ হিসেবে দেখছেন। ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের বিশ্বাস, টিকে থাকার জন্য এবং শত্রুপক্ষকে চাপে রাখতে কঠোর প্রতিশোধের কোনো বিকল্প নেই।
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ডনের ইরান বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ওমিদ মেমারিয়ান জানান, ইরান মূলত তাদের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করতে চেয়েছে। তারা বিশ্বকে এই বার্তা দিতে চায় যে, প্রয়োজন পড়লে তারা যেকোনো বড় যুদ্ধে জড়াতে প্রস্তুত। গত এক দশকে তেহরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিলেও এখন সেই নীতিিতে পরিবর্তন আসছে। ২০২০ সালে কাসেম সোলাইমানি হত্যার পর ইরানের প্রতিক্রিয়া ছিল সীমিত, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্ন মোড় নিয়েছে।
ইরানি নীতিনির্ধারকদের মতে, এতদিন তারা ইসরায়েলের হামলা সহ্য করলেও বৈরুতের হিজবুল্লাহ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় হামলা চালিয়ে ইসরায়েল সব সীমা অতিক্রম করেছে। ইরানের এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সাদেক লারিজানি বলেন, এই হামলা কেবল সামরিক জবাব নয়, বরং এটি তাদের নতুন প্রতিরক্ষা কৌশলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। তারা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তাদের মিত্র শক্তির ওপর কোনো আঘাত আসলে ইরান আর চুপ করে বসে থাকবে না।
রিপোর্টারের নাম 























