চট্টগ্রাম প্রাণিসম্পদ বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন সরকারি মুরগি খামারে পোল্ট্রি ফিড ও ওষুধ সরবরাহের দরপত্রে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, পলাতক এক আওয়ামী লীগ নেতার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দিতে টেন্ডারের শর্তাবলীতে কারিগরি মারপ্যাঁচ তৈরি করা হয়েছে। এতে করে সাধারণ ঠিকাদাররা প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারছেন না, যার ফলে সরকারি অর্থের অপচয় হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় তদন্ত শুরু করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সীতাকুণ্ড পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাবেক এক নেতার প্রতিষ্ঠান ‘বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ’ ও ‘আব্দুল্লাহ অ্যান্ড ব্রাদার্স’কে কাজ পাইয়ে দিতে কর্মকর্তাদের একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর ওই নেতা আত্মগোপনে থাকলেও তার প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে ‘ম্যানুফ্যাকচারার অথরাইজেশন’ বা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের অনুমতিপত্রের মতো কঠিন শর্ত জুড়ে দিয়ে অন্য সব প্রতিযোগীকে টেন্ডার প্রক্রিয়া থেকে ছিটকে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে একটি ভুক্তভোগী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। অভিযোগে বলা হয়েছে, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অযৌক্তিক শর্ত বাতিল করা প্রয়োজন। বর্তমানে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























