ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

উত্তরায় ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: পুলিশ

রাজধানীর উত্তরা এলাকায় এক নারী ধর্ষণের যে অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়, ‘স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছে।’ তবে ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে এমন কোনো ঘটনার সত্যতা মেলেনি। তিনি আরও জানান, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং সামাজিক অস্থিরতা তৈরির লক্ষ্যেই একটি গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে এই ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে।

বিভিন্ন সময়ে পুরোনো, সাজানো অথবা ভিন্ন দেশের ভিডিও বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ঘটনা হিসেবে প্রচার করার একাধিক ঘটনা আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ফ্যাক্টচেক সংস্থাগুলো মিথ্যা বলে শনাক্ত করেছে। তাই জনসাধারণকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্ট, ভিডিও ও গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যম থেকে এর সত্যতা যাচাই করার অনুরোধ করা হয়েছে। গুজব ও অপপ্রচার ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৩ ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্ত অব্যাহত

উত্তরায় ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: পুলিশ

আপডেট সময় : ০৪:৩১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

রাজধানীর উত্তরা এলাকায় এক নারী ধর্ষণের যে অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়, ‘স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছে।’ তবে ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে এমন কোনো ঘটনার সত্যতা মেলেনি। তিনি আরও জানান, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং সামাজিক অস্থিরতা তৈরির লক্ষ্যেই একটি গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে এই ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে।

বিভিন্ন সময়ে পুরোনো, সাজানো অথবা ভিন্ন দেশের ভিডিও বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ঘটনা হিসেবে প্রচার করার একাধিক ঘটনা আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ফ্যাক্টচেক সংস্থাগুলো মিথ্যা বলে শনাক্ত করেছে। তাই জনসাধারণকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্ট, ভিডিও ও গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যম থেকে এর সত্যতা যাচাই করার অনুরোধ করা হয়েছে। গুজব ও অপপ্রচার ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।