ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশু নির্যাতন ও হত্যা: মানবাধিকার সংস্থার গভীর উদ্বেগ

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে একটি মানবাধিকার সংস্থা। সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে এক শিশুকে হত্যার ঘটনা উল্লেখ করে সংস্থাটি জানায়, দেশের শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা চরম দুর্বল হয়ে পড়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।

সংস্থাটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০ মে পর্যন্ত দেশে অন্তত ১১৮ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়েছে ৪৬ জন শিশুর ওপর। আরও ভয়াবহ তথ্য হলো, ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টার পর অন্তত ১৭ জন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। সংস্থাটি মনে করছে, এসব ঘটনা কেবল বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা এবং সামাজিক জবাবদিহির অভাবকে ফুটিয়ে তোলে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং তদন্তের দুর্বলতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিদ্যমান আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং দ্রুত বিচার নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ডিজিটাল ও সামাজিক সব ক্ষেত্রে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিতে রাষ্ট্রকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরোধী সংসদীয় এলাকায় নারী এমপিদের উন্নয়ন তদারকি: প্রধানমন্ত্রীর ব্যাখ্যা

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশু নির্যাতন ও হত্যা: মানবাধিকার সংস্থার গভীর উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৮:১১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে একটি মানবাধিকার সংস্থা। সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে এক শিশুকে হত্যার ঘটনা উল্লেখ করে সংস্থাটি জানায়, দেশের শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা চরম দুর্বল হয়ে পড়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।

সংস্থাটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০ মে পর্যন্ত দেশে অন্তত ১১৮ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়েছে ৪৬ জন শিশুর ওপর। আরও ভয়াবহ তথ্য হলো, ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টার পর অন্তত ১৭ জন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। সংস্থাটি মনে করছে, এসব ঘটনা কেবল বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা এবং সামাজিক জবাবদিহির অভাবকে ফুটিয়ে তোলে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং তদন্তের দুর্বলতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিদ্যমান আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং দ্রুত বিচার নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ডিজিটাল ও সামাজিক সব ক্ষেত্রে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিতে রাষ্ট্রকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।