ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

ইরানের পরমাণু ইস্যুতে একমত ট্রাম্প ও শি জিনপিং

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং একই অবস্থানে রয়েছেন বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। সম্প্রতি দুই বিশ্ব নেতার মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ইরান ইস্যুটি বিশেষ গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ট্রাম্প জানান, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে না পারে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একমত পোষণ করেছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখার বিষয়েও দুই নেতার মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। ট্রাম্প এই বৈঠককে অত্যন্ত সফল বলে উল্লেখ করেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, এই আলোচনার মাধ্যমে এমন কিছু জটিল সমস্যার সমাধান হয়েছে যা আগে সম্ভব ছিল না। ইরান ইস্যুতে চীনের এই সমর্থন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের পথে এটি একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিজিটাল যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের আইন আধুনিকায়নের উদ্যোগ

ইরানের পরমাণু ইস্যুতে একমত ট্রাম্প ও শি জিনপিং

আপডেট সময় : ১২:৫০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং একই অবস্থানে রয়েছেন বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। সম্প্রতি দুই বিশ্ব নেতার মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ইরান ইস্যুটি বিশেষ গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ট্রাম্প জানান, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে না পারে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একমত পোষণ করেছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখার বিষয়েও দুই নেতার মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। ট্রাম্প এই বৈঠককে অত্যন্ত সফল বলে উল্লেখ করেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, এই আলোচনার মাধ্যমে এমন কিছু জটিল সমস্যার সমাধান হয়েছে যা আগে সম্ভব ছিল না। ইরান ইস্যুতে চীনের এই সমর্থন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের পথে এটি একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।